28 C
Dhaka
আগস্ট ১৩, ২০২২

শীতে ঘুরে আসুন মেঘের দেশ নীলগিরিতে

পর্যটন ডেস্ক, কমিউনিটি নিউজ: মেঘের সৌন্দর্য উপভোগ করতে অনেকেই হাজার হাজার টাকা খরচ করে যান প্রতিবেশী দেশে দার্জিলিং দেখতে। কিন্তু দার্জিলিংয়ের চেয়ে আমাদের নীলগিরির রূপ-মাধুর্য কম কিসে?

কি নেই আমাদের নীলগিরিতে। প্রকৃতি যেন তার সবটুকু সৌন্দর্যের ডালি নিয়ে বসে পর্যটকদের মনে আনন্দ দিতে। বিশ্বাস না হলে পরিবার নিয়ে আপন চোখে দেখে আসুন না বাংলার দার্জিলিংখ্যাত বান্দরবান কে।

বিশেষ আকর্ষণ নীলগিরি ছাড়াও বান্দরবানের রয়েছে বগালেক, চিম্বুক পাহাড়, নীলাচল, শৈলপ্রপাত, পাহাড় চূড়ার স্বর্ণমন্দিরসহ আরও অনেক দর্শনীয় স্থান। সবই দেখার মতো।

একেকটির সৌন্দর্য একেক রকম। তবে সব ছাপিয়ে নীলগিরিই যেন সবচেয়ে বেশি আপন করে কাছে টেনে নেয় পর্যটকদের।

পাহাড়ের আগা থেকে গোড়া অবধি সবুজের চাদরে মোড়া। খাড়া পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে জুম চাষ পদ্ধতিতে জাম্বুরা, পেঁপে, জলপাই, আম, কাঁঠাল, কমলালেবু, কলা, আনারস ও পেয়ারার বন সৃজন করেছেন পাহাড়ি ললনারা।

নীলগিরিতে পথে প্রথমেই চোখে পড়ে পাথুরে ঝরনা শৈলপ্রপাত, পরে চিম্বুক পাহাড়। দু’টোই দেখার মতো। একসঙ্গে বাংলার পাহাড়, নদী, সমুদ্র, ঝরনাধারা, বন-বনানীর সৌন্দর্যের দেখা মিলে।

দার্জিলিংখ্যাত চিম্বুক পাহাড়ে উঠলে,দক্ষিণে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত দেখা যায়।

এই রোদ, এই মেঘ, এই বৃষ্টি হলো নীলগিরি। ভূমি থেকে এর উচ্চতা ৩ হাজার ফুট। উচ্চতার কারণে শীত আর বর্ষা ঋতুতে বান্দরবান বেড়ানোর সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্হান এটি। অবশ্য বান্দরবানে প্রায় সারা বছরই কম-বেশি বৃষ্টি থাকে।

এ কারণে প্রায় সারা বছরই বান্দরবানে মেঘের মেলা বসে। বর্ষায় যেন একটু বেশি মেঘেদের দেখা মেলে।

আগের থেকে নীলগিরি অনেক সুন্দর হয়েছে।পর্যটকদের সুবিধার্থে হয়েছে অনেক উন্নয়নও। তাকে আরো নতুন রুপে সাজিয়েছে সেনাবাহিনী।

পর্যটকদের সুবিধার্থে পাহাড়ের চূড়ায় নতুন একটি রেস্টুরেন্ট তৈরি করা হয়েছে। এখানে বসে খেতে খেতে ডানে-বাঁয়ে চোখ বুলালে দূর-বহুদূরে দেখা যায় দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাহাড় কেওক্রাডং, বগা লেক, কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।

রেস্টুরেন্ট ছাড়াও পার্কিং এলাকা থেকে নীলগিরি চূড়ায় হেঁটে ওঠার জন্য নান্দনিক কারুকাযে তৈরি করা হচ্ছে ওয়াক ওয়ে। নানা রং ও ঢংয়ে পাহাড় কেটে তৈরি করা হয়েছে কয়েকটি প্রশস্ত চত্বর। এগুলোর মাঝে বসানো হয়েছে নকশা করা নজরকাড়া বসার বেঞ্চ ও শেড। এগুলোতে বসে প্রিয়জনের সঙ্গে গল্প করতে করতে কখন যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যাবে টেরই পাবেন না।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়ার জন্য উন্নতমানের অনেক এসি-ননএসি বাস সার্ভিস রয়েছে। হানিফ, শ্যামলী, সৌদিয়া, ইউনিক, ঈগল, সেইন্ট মার্টিন পরিবহন, ডলফিন পরিবহন ইত্যাদি।

ভাড়া ননএসি ৬০০ থেকে ৬২০ টাকা। এসি ৯০০ টাকা। সুবিধামতো এগুলোর যে কোনোটি বেছে নিতে পারেন আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী । বান্দরবান পৌঁছে নীলগিরি যাওয়ার বাহনের নাম জানেন না এমন লোক কমই আছেন। হ্যাঁ,বলছিলাম চান্দের গাড়ির কথা। নীলগিরি পর্যন্ত এ গাড়ির ভাড়া ৪ হাজার টাকা। সেইসাথে দিতে হবে ৩০০ টাকা পার্কিং চার্জ।

কোথায় থাকবেন

নীলগিরিতে রাতযাপনের জন্য সেনাবাহিনী পরিচালিত মেঘদূত, আকাশনীলা, নীলাঙ্গনা, হেতকরা রাইচা, মারমা রাইচা নামের আকর্ষণীয় কয়েকটি কটেজ রয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত এসব কটেজের যে কোন একটি আপনি অবলীলাক্রমে অবস্থান ও রাতযাপন করতে পারবেন।

আরও সংবাদ

ঢাকা থেকে কাতারের চারটি ফ্লাইটের তারিখ পরিবর্তন

কমিউনিটি নিউজ

পর্যটকে মুখরিত কক্সবাজার

কমিউনিটি নিউজ

ঘুরে আসুন ৫১০০ ফুট উপরের সবুজ সাম্রাজ্যে

কমিউনিটি নিউজ

রোমাঞ্চকর ‘বাঞ্জি জাম্পিং’ করতে যাবেন যেখানে

কমিউনিটি নিউজ

রাতের ভ্রমণে সাথে রাখবেন যেসব জিনিস

কমিউনিটি নিউজ

ঘুরে আসুন অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা রাঙ্গাবালী

কমিউনিটি নিউজ