28 C
Dhaka
আগস্ট ২০, ২০২২

হকারদের দখলে রাজধানীর ফুটপাত, পথচারী ভোগান্তি চরমে

বিশেষ প্রতিবেদন, কমিউনিটি নিউজ: ব্যবসার কাজে কুমিল্লা থেকে প্রতিনিয়তই ঢাকায় আসেন বিল্লাল হোসেন। রাজধানীর ব্যস্ত পল্টন এলাকায় ঘুরে ঘুরে দোকানের জিনিসপত্র কিনেন তিনি।

‘একেই তো করোনার দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হয়েছে। তার উপর রাস্তায় হকারদের যন্ত্রণায় হাটাই যায় না। আসলে রাস্তা হকারদের নাকি পথচারীদের তাই বড় প্রশ্ন।’ কমিউনিটি নিউজের এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে এভাবেই রাজধানীর ফুটপাতে হকারদের জন্য ভোগান্তির কথা বলছিলেন তিনি।

পাশে পরিবার নিয়ে অনেক কষ্টে যাচ্ছিলেন বেসরকারি এনজিও কর্মকর্তা লোকমান হোসেন। তিনি জানান,’আজ ছুটির দিন তাই পরিবার নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়েছি। কিন্তু ফুটপাতে একটু যে শান্তিতে হাটব তার সুযোগ নেই। ২ মিনিটের রাস্তা হেটে আসতে আমাদের ২০ মিনিট সময় লেগেছে। আর মহিলা ও বাচ্চা সাথে থাকলে তো কথাই নেই।’ এই কর্মকর্তা প্রশ্ন ছু্ঁড়ে বললেন, এই সমস্যা থেকে আমাদের কবে নিস্তার মিলবে?

অপরদিকে রাজধানীর ব্যস্ততম পল্টন এলাকা। ব্যস্ততম এলাকা হওয়ার পরও নেই কোনো ফুটওভার ব্রীজ। তবে বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের সামনে একটি ফুটওভার ব্রীজ থাকলেও হকারদের দখলে তার পুরোটাই। ভাসমান ফলের দোকান, স্টেশনারি এবং কাপড়ের দোকানে ঠাসা। দেখে মনে হয় পুরো ওভারব্রীজই যেনও হকারদের দখলে।

শুধু পল্টন নয়, গুলিস্তান, দোয়েল চত্বর, মতিঝিল, ফার্মগেট, মালিবাগ, নিউমার্কেট, কাকরাইল, মৌচাক, পুরান ঢাকার চকবাজার এ সব এলাকার ফুটপাতের চিত্র প্রায় একই। কোথাও কোথাও দোকানের সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ ভিক্ষুক ও টোকাইদের উপদ্রবও অতিষ্ঠ করে পথচারীদের। প্রায় সবখানেই কাক ডাকা ভোর থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ফুটপাত হকারদের দখলে থাকে।

এসব এলাকায় অন্তত ৫ জন পথচারীর সঙ্গে কথা হয় কমিউনিটি নিউজের। তারা জানান, আমাদের দুর্ভোগ যেনও শেষ হওয়ার নয়। একদিকে উচ্ছেদ অভিযান হয়, ফের আবার একইরকম ভাবে ফুটপাত দখল হচ্ছে। আমাদেন পথচারি হিসেবে একটাই দাবি দখল মুক্ত ফুটপাত চাই।

পুরান ঢাকার এক নারী পথচারী বলেন, ‘ফুটপাত দিয়ে হাঁটার সময় অনেক মানুষের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। আবার কেউ ইচ্ছা করেই ধাক্কা দেয়। খুবই বিব্রত হই। ফুটপাত ব্যবহারে নারী পথচারীদের বিড়ম্বনা খুব বেশি।’

তবে ফুটপাতে অবস্থান নেয়া হকার ও ব্যবসায়ীরা বলছেন ভিন্ন কথা। হকার আতিয়ার বলেন, ১০ বছর যাবৎ ফুটপাতে ব্যবসা করে সংসার চালাই। ফুটপাত থেকে তুলে দিলে পেটের দায়ে এখানেই আবার বসি। সরকার আমাদের জন্য যদি আলাদা মার্কেট করে তাহলে এ সমস্যা থাকবে না।

ফুটপাত দখলমুক্ত করণ ও পথচারী সমস্যা সমাধানের সার্বিক বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন বলেন, ‘ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে প্রতিনিয়ত অভিযান চালানো হচ্ছে। কিন্তু তারপরও আবার ফুটপাত দখল হয়ে যাচ্ছে। করোনার কারণে আমাদের অভিযান জোরালো হয়নি, করোনার পরবর্তী সময়ে জোরদার অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আরও সংবাদ

দেশে কতদিনের জ্বালানি আছে তা জানালো বিপিসি

কমিউনিটি নিউজ

যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্প চালু হবে ২০২৭ সালে

কমিউনিটি নিউজ

বিশ্ববাজারে কমেছে গম ও ভুট্টার দাম

কমিউনিটি নিউজ

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবে যশোরে কাঁচাবাজারে আগুন

কমিউনিটি নিউজ

সুইস ব্যাংকের কাছে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য চায়নি বাংলাদেশ: রাষ্ট্রদূত

কমিউনিটি নিউজ

শ্রীলঙ্কায় এক ধাক্কায় বিদ্যুতের দাম বাড়লো ৭৫ শতাংশ

কমিউনিটি নিউজ