32 C
Dhaka
আগস্ট ১২, ২০২২

গাছে মুকুল আসলেও নেই আম

হাসনাত হাকিম, নিজস্ব প্রতিবেদক: মুকুল আসলেও গাছে নেই আম। গুঠি আসার সময় পর্যন্ত একাধিক হাত বদল হয় আমবাগানগুলোতে। কিন্তু এ বছর ভিন্ন চিত্র দেখা দিচ্ছে। নানান জটিলতার কারণে আম ব্যবসায়ীরা আম বাগান ক্রয় করতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন না কেউ। এসব ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছিলো আমের রাজধানী ক্ষ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের নারায়নপুর এলাকার আম চাষী জিয়ারুল ইসলাম।

জিয়ারুল ইসলাম জানান, এ বছর আম গাছে প্রচুর মুকুল এসছে। প্রাকৃতিক দূযোর্গের কারণে আম হয়তো তেমন নাই। লকডাউন আর পোকার আক্রমনে উৎপাদন বাধাগ্রস্থত হয়েছে। গত মৌসুমে দাম না পাওয়ায় অনেক আম ব্যবসায়ী ক্ষতির মুখে পড়েন। আসল পুঁজি না পেয়ে বিভিন্ন পেশায় ঝুঁকে পড়েছেন। এবারো করোনার ভয়াবহতা আম ব্যবসায়ীদের ভাবিয়ে তুলেছে। তাই গুঠি হলেও আমবাগান ক্রয় করতে ব্যবসায়ীরা পিছিয়ে গেছেন। এ সময় একটা আমবাগান কয়েকবার হাত বদল হলেও এখন পর্যন্ত বাগান বেঁচা-বিক্রির বালাই নেই।
করোনায় আম বাজারজাত করা নিয়ে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন আম ব্যবসায়ীরা। সরকারের কাছে আমসহ বিভিন্ন কাঁচা ফল বাজারজাত করতে সহাযোগিতার দাবী করেছেন।জেলার একমাত্র অর্থকরি ফসল আম। আম থেকে আয় করতে না পারলে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চরম ভাবে ভেঙ্গে পড়বে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

আরো পড়ুন: ৮ অঞ্চলে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা

লকডাউনেও মার্কেট খোলা রাজশাহীতে

আম ব্যবসায়ীরা ও আম ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক চুটু জানান, গত বছর থেকে দেশে কোরনা পরিস্থিতি খুব খারাপ হওয়ায় আম বাজারজাত করতে বেগ পেতে হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায় ভোলাহাটের সুস্বাদু আম। কিন্তু করোনায় লকডাউনহওয়ায় আম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আম বাজারজাত করা ব্যয়বহুল ও পরিবহণ করা কষ্ট হয়ে যায়। ফলে ব্যবসায়ীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

আরো পড়ুন:  জেনে নিন আমলকির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা  

রমজানের আগেই অস্থির নিত্য পণ্যের বাজার

চাঁপাইনাবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, এ বছর আমের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৭৩৮ মেট্রিক টন। যা গত বছরের থেকে বেশী। গত বছর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিলো ৩২ হাজার ৫৮০ মেট্রিক টন। তিনি আরো বলেন, গত বছরের ৪ অক্টোবর থেকে কোনো বৃষ্টি নাই। যার ফলে গাছের গোড়ায় তেমন শক্তি পায়না। তাই হালকা বাতাস হলেই গাছের গোড়া নড়ে বসে যাচ্ছে। আমে তেমন রস পাচ্ছেনা । তাই ঝরে যাচ্ছে। তারপরও ফলন ভালো আছে বলে জানান।

এদিকে লকডাউন হলেও আমসহ বিভিন্ন কাঁচামালের বাজারজাতের ব্যাপারে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানান ব্যবসায়ীরা।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

রমজানের আগেই অস্থির নিত্য পণ্যের বাজার

communitynews

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: প্রতি বছর রমজান মাস এলেই এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ি বাড়িয়ে দেয় যাবতীয় নিত্যপণ্যের দাম। তবে এবছর আর রমজান পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়নি। তার আগেই আকাশ ছুঁয়ে ফেলেছে প্রয়োজনীয় পণ্য। দাম বাড়ছে প্রতিদিনই। এতে করে দিশেহারা হয়ে পড়েছে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের আর মধ্যবিত্ত ক্রেতারা।

রাজশাহীর বাজারগুলোতে সবজিসহ সব পণ্যের দাম বাড়তি। তেল, ডাল, মাংসের দাম অনেকে বেড়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা খুশি হলেও বেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।শুক্রবার (৯ এপ্রিল ২০২১) নগরীর সাহেবাজার, মাস্টারপাড়া, নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

ক্রেতা আবু সাইদের সাথে কথা হয়। তিনি জানান, ‘পাঁচ কেজি চাল কিনলে দুই দিনের আয় শেষ হয়। বাজারে এলে দোকানিরা আমাদের নিয়ে মজা নেয়, দাম করেও কেনার সাধ্য হয় না। এমন ভাবে দাম বেড়েছে এখন দাম করারও সাহস হয় না। এই ঊর্ধ্বগতির বাজারের কারণে এখন কোনো কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না।’

বেশ ভালো দামে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার ও সোনালী মুরগি। ভালো দাম থাকায় লাভের ভাগটাও বাড়ছে তাদের। এতে সোনালী ও ব্রয়লার খামারি-ব্যবসায়ীরা খুশি। তবে লেয়ার, ব্রয়লার, হাসের ডিম উৎপাদনকারী খামারিদের বেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ডিমের দাম কম হওয়ায় উঠছেনা উৎপাদন খরচ। ফলে লোকসানে লোকসানে দিশেহারা তারা।

আরো পড়ুন :

 

রাজশাহীর পোল্ট্রি মুরগি ও ডিম বিক্রেতা আসলামের সাথে কথা হয়। তিনি জানান, সব ধরনের মুরগির দামই মোটামুটি ভালো দামে বিক্রি হচ্ছে। করোনার শুরু থেকেই খামারিরা লস করছে। এখন ভালো দাম আছে তাই লাভ হচ্ছে তাদের। ডিমের দাম দিন দিন কমছে। এই দামে খামারিদের টিকে থাকা মুশকিল। তিনি জানান, প্রতিহালি (৪টি) লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ২৬ টাকায়। সাদা ডিম ২৩ টাকা ও হাঁসের ডিম ৪০ টাকা হালি দরে বিক্রি করছেন।

ব্রয়লার ব্যবসায়ী শফিক জানান, ব্রয়লার ১৪০ টাকা দাম বেড়ে দাড়িয়েছে ১৪৫ কেজি, দেশী মুরগি ৪২০ টাকা থেকে ৪৩০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে দাম কমেছে সোনালী মুরগীর, ২৭০ টাকা থেকে নেমে দাড়িয়েছে ২৫০ টাকায়। সাদা লেয়ার ১৭০ টাকা থেকে ১৪০ টাকায় নেমে দাড়িয়েছে। লেয়ার লাল ২০০ টাকা থেকে ১৯০ টাকায় নেমেছে।

রাজশাহী পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বলেন, বার্ড ফ্লু রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক মুরগি মারা গেছে। ভয়ে আর নতুন বাচ্চা তুলছেন না খামারিরা। মুরগী কমে গেছে। এদিকে ক্রেতা বেশি। তাই আসতে আসতে দাম বাড়ছে।

এছাড়া কাঁচাবাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ওঠা-নামা করতে দেখা গেছে।

আলু ১৪ থেকে ১৫ টাকা, শিম ২০ টাকা থেকে হয়েছে ৩০ টাকা, লাউ ২০ টাকা থেকে হয়েছে ৩০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকা থেকে হয়েছে ৫০ টাকা, পিয়াজ ৩০ টাকা থেকে হয়েছে ৩৫টাকা, রসুন ৬০ থেকে হয়েছে ৮০ টাকা, আদা ৮০ থেকে হয়েছে ৯০ টাকা, পটল ৮০ থেকে হয়েছে ৫০ টাকা, ঢেড়স ১০০ থেকে হয়েছে ৫০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে হয়েছে ২৫টাকা, চায়না গাজর ২০ টাকা থেকে হয়েছে ৩০টাকা, ডুমুর ৩০ টাকা থেকে হয়েছে ৩৫।

এদিকে অপরিবর্তীত রয়েছে শসা, টমেটো ,মিষ্টি কুমড়া, কলা , বাধাকপি , কাঁচা মরিচ, বরবটি, লাল শাক, সবুজ শাক ও পালং শাকের দাম।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

রাজশাহীতে গাঁজাসহ যুবক আটক

কমিউনিটি নিউজ

কলার জমিতে কাটোয়া ডাটা চাষে স্বাবলম্বী নারীরা

কমিউনিটি নিউজ

পত্নীতলায় টেন্ডার ছাড়াই সরকারি হাসপাতালের গাছ কাটার অভিযোগ

কমিউনিটি নিউজ

রাজশাহী কলেজে চালু হলো মেধাবৃত্তি

কমিউনিটি নিউজ

পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের মোটরসাইকেলে আগুন দিলেন যুবক

কমিউনিটি নিউজ

২০ টাকার নাপা সিরাপ ৩৫ টাকায় বিক্রি, জরিমানা

কমিউনিটি নিউজ