33 C
Dhaka
আগস্ট ৯, ২০২২

ব্যারিস্টার মওদুদ দলবদল করতে পছন্দ করতেন

কমিউনিটিনিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন,  প্রয়াত রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মুখে যাই বলুক তার লেখাগুলোর মধ্যে অনেক কন্ট্রভার্সি নিজের আপন মনের মাধুরী মিশিয়েও লিখেছেন। আর উনি দলবদল করতে পছন্দ করতেন। সংসদে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার কথা, সেই সুযোগে ১৯৬৯ সালে মিশে গেলেন। পরবর্তী ১৯৭৫ সালে বিএনপিতে যোগ দিলেন। এর পর যখন এরশাদ এলেন তিনি (মওদুদ) একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন এরশাদ সাহেব তার সাজা মওকুফ করে দিয়ে তার মন্ত্রিপরিষদে আইনমন্ত্রী করলেন।

এর পর আবার তিনি বিএনপিতে যোগদান করলেন। রাজনীতিতে বারবার দলবদল করা তার একটা অভ্যাস ছিল, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তিনি যখন মারা গেলেন, আমি নিজে ফোন করেছিলাম হাসনাকে। কারণ হাসনার সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল সবসময়। সিঙ্গাপুরেও ওর সঙ্গে কথা হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ ও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার সংসদে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। শোক প্রস্তাবের পর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মওদুদের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন,  যদিও কখনও ছাত্রলীগ করেননি। তিনি সবসময় একটু সরকারঘেঁষাই ছিলেন। তার পরও আমি বলব- একটা ট্যালেন্টেড মানুষ ছিল; কিন্তু সেটি যদি যথাযথভাবে দেশপ্রেমে কাজে লাগতেন, তা হলে হয়তো দেশকে অনেক কিছু দিতে পারতেন; এটি হলো বাস্তবতা।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

জাতীয় চিড়িয়াখানা বন্ধ ঘোষণা

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। শুক্রবার (২ এপ্রিল২০২১) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গতবছর করোনার প্রকোপ বাড়ায় প্রায় আট মাস বন্ধ ছিল জাতীয় চিড়িয়াখানা। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করলে ১ নভেম্বর সর্বসাধারণের জন্য ফের উন্মুক্ত ক দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চিড়িয়াখানা দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ থাকবে।

এছাড়াও গত সোমবার (২৯ মার্চ) করোনাভাইরাস সংক্রমণে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সব ধরনের জনসমাগম সীমিত করা, উচ্চ সংক্রমণযুক্ত এলাকায় সব ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ করে সরকারের ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এ নির্দেশনা আগামী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতিপালন করতে হবে বলে জানিয়েছেন  জনসংযোগ কর্মকর্তা।

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সরকার নিম্নরূপ সিদ্ধান্তসমূহ গ্রহণ করেছে:

১. সব ধরনের জনসমাগম (সামাজিক/ রাজনৈতিক/ ধর্মীয়/ অন্যান্য) সীমিত করতে হবে। উচ্চ সংক্রমণযুক্ত
এলাকায় সব ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলো। বিয়ে/ জন্মদিনসহ যেকোনও সামাজিক অনুষ্ঠান
উপলক্ষে জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে।

২. মসজিদসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

৩. পর্যটন/ বিনোদন কেন্দ্র সিনেমা হল/ থিয়েটার হলে জনসমাগম সীমিত করতে হবে এবং সব ধরনের
মেলা আয়োজন নিরুৎসাহিত করতে হবে।

৪. গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং ধারণ ক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক যাত্রী পরিবহন করা যাবে না।

৫. সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতে আন্তঃজেলা যান চলাচল সীমিত করতে হবে। প্রয়োজনে বন্ধ রাখতে হবে।

৬. বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিন পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক (হোটেলে নিজ খরচে) কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে।

৭. নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী খোলা/ উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনপূর্বক ক্রয়-কিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
ওষুধের দোকানে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

৮. স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহে মাস্ক পরিধানসহ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

৯. শপিং মলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েরই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

১০. সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,
বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

১১. অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরা/ আড্ডা বন্ধ করতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০ টার পর বাইরে বের হওয়া
নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

১২. প্রয়োজনে বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। মাস্ক
না পরলে কিংবা স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

১৩. করোনায় আক্রান্ত/ করোনার লক্ষণ দেখা দিলে ব্যক্তির আইসোলেশন নিশ্চিত করতে হবে। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির। ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা অন্যান্যদেরও কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে।

১৪. জরুরি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব সরকারি-বেসরকারি অফিস প্রতিষ্ঠান/ শিল্প কারখানাসমূহ
৫০ ভাগ জনবল দ্বারা পরিচালনা করতে হবে। গর্ভবতী/ অসুস্থ/ বয়স ৫৫-ঊর্ধ্বো কর্মকর্তা/ কর্মচারীর বাড়িতে
অবস্থান করে কাজ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

১৫. সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা যথাসম্ভব অনলাইনে আয়োজনের ব্যবস্থা করতে হবে।

১৬. স্শরীরে উপস্থিত হতে হয় এমন যেকোনও ধরনের গণপরীক্ষার ক্ষেত্রে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

১৭. হোটেল-রেঁস্তোরাসমূহে ধারণ ক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক মানুষের প্রবেশ করতে হবে।

১৮. কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন সর্বদা বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি
পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

রামেক হাসপাতালে ভর্তি সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম

কমিউনিটি নিউজ

ভেঙে গেলো পাকিস্তানের পার্লামেন্ট

কমিউনিটি নিউজ

স্বামী-স্ত্রী চেয়ারম্যান প্রার্থী

কমিউনিটি নিউজ

খালেদা জিয়ার জন্য গণঅনশনে বিএনপি

কমিউনিটি নিউজ

ফের হাসপাতালে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

কমিউনিটি নিউজ

মান্দায় নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ১০

কমিউনিটি নিউজ