27 C
Dhaka
জুন ১৯, ২০২১

চাহিদানুযায়ী কোন মাছের খাদ্য কতটুকু প্রয়োজন?

চাহিদানুযায়ী কোন মাছের খাদ্য কতটুকু প্রয়োজন?

কমিউনিটিনিউজ ডেস্ক: সঠিক পুষ্টিমান সম্পন্ন এবং মাছের আকার ও বয়স উপযোগী খাবার সরবরাহ না করলে লাভ হবে না। তাই জেনে নিন কোন জাতের মাছের কতটুকু খাদ্য চাহিদা, কতটুকু সরবরাহ করবেন।

কোন জাতের মাছের কতটুকু খাদ্য চাহিদা সেটি জানার আগে জানতে হবে মাছের সম্পুরক খাদ্য ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা।

১. অধিক ঘনত্বে পোনা বা বড় মাছ চাষ করা যায়।

২. অল্প সময়ে মাছের সুস্থ ও সবল পোনা উৎপাদন করা যায়।

৩. মাছের দৈনিক দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।

৪. মাছ বা চিংড়ির পোনার বাঁচার হার বৃদ্ধি পায়।

৫. মাছের পুষ্টির অভাবজনিত রোগ থেকে মুক্ত থাকে।

৬. মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

বর্তমানে নানা কারণে মাছচাষিদের দুঃসময় চলছে।

গত ২ থেকে ৩ বছর সফল ও লাভজনকভাবে খামার পরিচালনা করছেন এমন চাষির সংখ্যা খুব কম। মাছ চাষে গড়ে ৭৫ ভাগ খরচ হয় খাদ্য বাবদ। আর সেজন্য খামার লাভজনকভাবে পরিচালনা করতে খাদ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সাধারণত মাছ চাষিরা মাছের খাদ্য প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুকুরের মাছের মোট দৈহিক ওজনের শতকরা হারে খাদ্য প্রয়োগ করে থাকেন।

এক্ষেত্রে তারা যে পদ্ধতি অবলম্বন করেন তা হচ্ছে- ৪০ শতাংশের একটি পুকুরে প্রতি শতাংশে ১৫০টি ঘনত্বে যদি প্রতিটি ১০০ গ্রাম ওজনের ৬০০০টি পাঙ্গাস মাছ থাকে তাহলে মাছের মোট দৈহিক ওজন হবে ১০০ গ্রাম দ্ধ ৬০০০ = ৬০০ কেজি।

৫% হারে খাদ্য প্রয়োগ করলে দৈনিক ৩০ কেজি খাদ্য উক্ত পুকুরে প্রয়োগ করতে হবে। এক্ষেত্রে ১০০ গ্রাম ওজনের মাছটির দৈনিক খাদ্য চাহিদা কত গ্রাম বা দৈনিক বৃদ্ধি কত গ্রাম তা না জেনেই খাদ্য প্রয়োগ করছেন।

মাছ চাষিরা এ পদ্ধতিতে খাদ্য প্রয়োগ করে ১০ থেকে ১৫% অপচয় হলেও এক সময় লাভের পরিমাণ বেশি হওয়াতে তা চোখে পড়েনি। বর্তমানে লাভ অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় অপচয় রোধের ব্যাপারে মাছ চাষিদের সচেতন হতে হবে। এ ক্ষেত্রে আরো বিজ্ঞানসম্মতভাবে মাছের খাদ্য প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে।

যে পদ্ধতি ব্যবহার করে মাছ চাষিরা উপকার পেতে পারেন-
১) খাদ্যের অপচয় কমানো;
২) খাদ্যের পচনজনিত কারণে পানির গুণগত মান নষ্ট না হওয়া;
৩) দৈহিক ওজন ও দৈনিক বৃদ্ধি সম্পর্কে অবগত থাকা ও খাদ্যের চাহিদা সম্পর্কে ধারণা;
৪) মাছের মৃত্যুহার কম হওয়া;
৫) মাছের উত্পাদন খরচ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকা ও লাভ নিশ্চিত করা।

এভাবে একটি পাঙ্গাস চাষের পুকুরে ৫০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজন হতে ২২৫ দিন/৭ মাস ১৫দিন চাষকাল লাগতে পারে। ২২৫ দিন চাষকাল শুধু পূর্ণমাত্রায় খাদ্য প্রয়োগ কালকে হিসাব করা হয়েছে। শীতকালে খাদ্য বিরতির সময় হিসাবে আসবে না। তবে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে পোনার গুণগত মান, চাষির দক্ষতা ও খামার ব্যবস্থাপনার মানের উপর ফলাফল এর চাইতে কিছুটা ভালমন্দ হতে পারে।

উল্লেখিত ফলাফল পেতে শর্তসমূহ:
১) পাঙ্গাসের একক চাষ হতে হবে;
২) খাদ্যে আমিষের পরিমাণ ২৬ থেকে ২৮% হতে হবে ও সুষম খাদ্য হতে হবে;
৩) পানির গুণগত মান ও পরিমাণ ঠিক থাকতে হবে;
৪) পানির তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৩৬ ডি:সে: থাকতে হবে।

তথ্যটি কৃষি তথ্য সার্ভিস  ও বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর থেকে নেওয়া হয়েছে।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

মাস্ক ছাড়াই করোনা ওয়ার্ডে ডিউটি, সাংবাদিক প্রবেশে বাধা

কমিউনিটি

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে হাসপাতালের সামনের ফুটপাতের হোটেল

কমিউনিটি

সংরক্ষণ না থাকায় নষ্ট রাজশাহীর ৫০শতাংশ আম

কমিউনিটি

পুঠিয়ায় ২২ জনকে ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা

কমিউনিটি

১০গুণ বেশি ভাড়া দিয়েই যাচ্ছে গন্তব্যে

কমিউনিটি

অতিরিক্ত রসুন খাওয়া কতটা ক্ষতিকর?

কমিউনিটি