27 C
Dhaka
জুন ১৯, ২০২১

মুলার যত পুষ্টি ও উপকারিতা

মুলার যত পুষ্টি ও উপকারিতা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: মুলা একটি শীতকালীন সবজি। দেশের সর্বত্রই এখন চাষ হচ্ছে। মুলা একটি মুলবিশেষ খাবার উপযোগী সবজি।এই সবজিটি পুষ্টিকর হলেও অনেকেই মূলা খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু মুলার পাতা এবং মুলে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ রয়েছে।

মুলার পুষ্টি গুণ: মুলার মূল যেমন পুষ্টিসমৃদ্ধ তেমন এর পাতাতেও প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায়। মুলার পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়।

খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম এবং ১২০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম রয়েছে মুলাতে।

উপকারিতা:

জন্ডিস: জন্ডিস রোগীদের জন্য মূলা খুব উপকারী। যাদের জন্ডিস হয়েছে বা যারা ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন, তাদের মূলা খাওয়া উচিত। কারণ মূলা রক্তে বিলিরুবিন নিয়ন্ত্রণ করে এবং দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়ায়। এ ছাড়া এটি রক্ত পরিশোধন করে।

ক্যান্সার: মূলা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকর।

কিডনি: মূলা কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। কিডনির যেকোনও সমস্যা রোধ করে মূলা।

ডায়াবেটিস: মূলা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও উপকারী। মূলায় প্রচুর ফাইবার রয়েছে। মূলা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা এটি গ্রহণ করতে পারেন। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ

ঠাণ্ডা লাগা: শীতে সবচেয়ে বেশি যে শারীরিক সমস্যা হয় তা হল সর্দি-জ্বর। নিয়মিত মূলা খেলে এসব সমস্যা কম হবে। এছাড়া মূলা খাওয়ার আরও অনেক সুবিধা রয়েছে, কারণ এতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা অনেক রোগ থেকে দূরে রাখে।

ভিটামিনের ঘাটতি দূর হয়: একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত মুলার পাতা খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে নানাবিধ ভিটামিনের পরিমাণ যেমন বাড়তে থাকে, তেমনি আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতিও দূর হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

রক্তচাপ: মূলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। কারণ মূলায় প্রচুর পটাশিয়াম থাকে। এছাড়া মূলায় বিশেষ ধরনের অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

 

যেভাবে বানাবেন পোড়া আমের শরবত

স্বাস্থ্য ডেস্ক: গরমে যখন অতিষ্ট, এই সময়ে কাঁচা আম সত্যি অমৃত। আর তা যদি হয় জিভে জল আনা পোড়া আমের শরবত, তাহলে তো কথাই নেই।

কাঁচা আম পুড়িয়ে এই শরবত বানানো হয়ে থাকে। আসুন জেনে নেওয়া যাক আম পোড়া আমের শরবত কীভাবে বানাবেন:– 

উপকরণ

আস্ত জিরা- ২ চা চামচ
কাঁচা আম- ৩টি তিনটি কাঁচা আম
চিনি- পরিমাণ মতো
বিট লবণ- স্বাদ মতো

প্রস্তুত প্রণালি
জিরা টেলে গুঁড়া করে নিন। চুলার ওপর তারের জালি বসিয়ে তিনটি আম রাখুন। মাঝারি থেকে কম আঁচে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আমগুলো ভালো করে পুড়িয়ে নিন। একটু সময় নিয়ে পোড়াতে হবে, যাতে ভেতর পর্যন্ত নরম হয়। পোড়ানো হয়ে গেলে একটি পাত্রে নামিয়ে নিন। পোড়া আমগুলো একটু ঠান্ডা হলে একটি বাটিতে পানি নিয়ে তাতে আমগুলো ডুবিয়ে দিন।

এবার আমের খোসা ছাড়িয়ে শাঁস বের করে নিন। ব্লেন্ডারে আমের পাল্প, জিরে গুঁড়ো, চিনি, বিট লবণ ও পানি দিয়ে স্মুথ পেস্ট তৈরি করে নিন। গ্লাসে আমের মিশ্রণটা ঢেলে নিন। কয়েকটি আইস কিউব দিয়ে ওপর থেকে ঠান্ডা পানি ঢালুন। পুরো মিশ্রণ ভালোভাবে নেড়ে পরিবেশন করুন।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

মাস্ক ছাড়াই করোনা ওয়ার্ডে ডিউটি, সাংবাদিক প্রবেশে বাধা

কমিউনিটি

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে হাসপাতালের সামনের ফুটপাতের হোটেল

কমিউনিটি

পুঠিয়ায় ২২ জনকে ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা

কমিউনিটি

১০গুণ বেশি ভাড়া দিয়েই যাচ্ছে গন্তব্যে

কমিউনিটি

অতিরিক্ত রসুন খাওয়া কতটা ক্ষতিকর?

কমিউনিটি

করোনা: টাকা দিলেই পজিটিভ হয় নেগেটিভ

কমিউনিটি