33 C
Dhaka
আগস্ট ১২, ২০২২

জীবাণুনাশক ট্যানেল জনগণের কাজে লাগে না

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাণীনগর (নওগাঁ) : নওগাঁর রাণীনগরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ৪টি জীবাণুনাশক ট্যানেল স্থাপনের কিছু দিনের মাথায় টেকনিশিয়ান না থাকা, কারিগরি ত্রুটি ও প্রয়োজনীয় মেডিসিনের অভাবে প্রায় ২ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থাপিত চারটি জীবাণুনাশক ট্যানেল অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

উপজেলা সদরে বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই ট্যানেলগুলো স্থাপনের কিছু দিনের মাথায় বিকল হওয়ার কারণে করোনাকালীন মহামারির এই সময়ে জনগণের কোন কাজে লাগছেনা। দিন দিন ভাইরাসের কারণে মানুষ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চললেও এই ট্যানেলগুলো সচল করার কোন উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। এমন কি উপজেলা প্রশাসনের কোন দপ্তর এর রক্ষনাবেক্ষনের দায় নিতেও নারাজ।

  • জানা গেছে, গত বছরের ৮ মার্চ থেকে বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এই ভাইরাস দিন দিন শক্তিশালী হওয়ায় মানুষের আক্রান্ত সংখ্য বেড়ে যাওয়ার কারণে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের বিশেষ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর, উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনের প্রধান গেট ও রাণীনগর থানা ভবনসহ মোট ৪টি জীবাণুনাশক ট্যানেল উপজেলা প্রকৌশলীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ট্যানেলগুলো স্থাপন করা হয়।

যে কোন মানুষ এই ট্যানেলের মধ্যে দিয়ে যাবার সময় স্বয়ংক্রিয় ভাবে ওই ব্যক্তির শরীরে তরল জীবানুনাশক স্প্রে লাগতো। কিন্তু কয়েক দিনের মাথায় সঠিক নজরদারির অভাবে ট্যানেলগুলো বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমান সময়ে আবার নতুন করে করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারন করলেও জনস্বার্থে এই ট্যানেলগুলো চালু করার কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরে সেবা নিতে আসা মানুষগুলো করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে থাকছে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমন লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলেও এই ট্যানেলগুলো চালু করার কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় সরকারের আর্থিক ক্ষতিসহ জনগণের কোন কাজে লাগছেনা।

স্থানীয়রা বলছে, এই রকম মহামারি থেকে রক্ষার জন্য জনস্বার্থে ট্যানেলগুলো সচল করা একান্ত জরুরী।

উপজেলা নির্বাহী আফিসার সুশান্ত কুমার মাহাতো জানান, এই ট্যানেলগুলো কিভাবে চালু করা যায় শিঘ্রই এর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

বাঘায় কালবৈশাখীতে আমের ক্ষতি ২৫ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঘা (রাজশাহী): রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় চলতি মৌসুমে অন্য বছরের তুলনায় আমের উৎপাদন কিছুটা কম। তার উপর কালবৈশাখীর ঝড়ে এই অঞ্চলের প্রধান অর্থকারি ফসল আমের ২৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে যারা বাগান চুক্তি অগ্রীম আম ক্রয় করেছেন তাঁরা চরম হতাশায় পড়েছেন।

  • জানা যায়, উপজেলা ৮ হাজার ৩৬৮ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। চলতি মৌসুমে বাগানে উৎপাদন ধরা হয়েছে হেক্টর প্রতি ৬-৭ মেট্রিক টন।

এদিকে বুধবার রাত সাড়ে ৭ টার দিকে কালবৈশাখী তান্ডবে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই আম প্রতিকেজি ২-৩ টাকা দরে ক্রয় করে ট্রাক যোগে ঢকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

  • উপজেলা কৃষি অফিস দাবি করছেন, বুধবার রাতে ঝড়ে ১ শতাংশ আম ঝড়ে গেছে। এদিকে ৫ শতাংশের হিসেব করে আনুমানিক প্রায় ২৫ কোটি টাকার আম ঝরে গেছে বলে চাষিরা দাবি করেন।

রাজশাহীকে আমের জন্য বিক্ষাত বলা হলেও মূলত: বাঘা ও চারঘাট উপজেলাকে আম প্রধান অঞ্চল বলা হয়। উপজেলায় খাদ্য শস্যের পাশাপাশি অর্থকরী ফসল হিসেবে বর্তমানে আমই প্রধান। এই আম রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঘার আমের সু-খ্যাতি সবচেয়ে বেশি।

উপজেলার মনিগ্রামের আম চাষি জিল্লুর রহমান বলেন, লিজ নিয়ে যে আমের চাষ করেছি। এতে যে পরিমান আম পড়েছে প্রায় ২৫ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। আমার বাগানে প্রায় ৫ শতাংশের মতো আম ঝড়ে গেছে। তবে এই আম প্রতিকেজি ২-৩ টাকা দরে ক্রয় করে ট্রাক যোগে ঢকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবসায়ীরা নিয়ে যাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, আম এক বছর ভাল আম হলে, অন্য বছর কম হয়। তারপরও পরপর দুই বছর প্রচুর পরিমান আম হওয়ায় অন্য বছরের তুলনায় এবার কম হয়েছে। তবে এরপর দূর্যোগ আর না হলে ক্ষতি অনেকটা পুসে যাবে।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

সিদ্ধ ডিম রেখে কতক্ষণ পর খাওয়া নিরাপদ?

কমিউনিটি নিউজ

রাজশাহীতে গাঁজাসহ যুবক আটক

কমিউনিটি নিউজ

রাজশাহী কলেজে চালু হলো মেধাবৃত্তি

কমিউনিটি নিউজ

পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের মোটরসাইকেলে আগুন দিলেন যুবক

কমিউনিটি নিউজ

২০ টাকার নাপা সিরাপ ৩৫ টাকায় বিক্রি, জরিমানা

কমিউনিটি নিউজ

আমের দামে খুশি রাজশাহীর চাষিরা

কমিউনিটি নিউজ