33 C
Dhaka
আগস্ট ৯, ২০২২

শসার উপকারই তা নয়; ক্ষতিও হতে পারে

কমিউনিটিনিউজ ডেস্ক: শসা খেতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ পাওয়া হয়তো দুস্কর। শসায় রয়েছে নানা ভেষজ গুণ। ত্বকের যত্নে, পরিপাকতন্ত্র সুস্থ রাখতে, অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে এর বিকল্প নেই। ভিটামিনে ভরপুর শসায় ক্যালরি কম থাকে। এছাড়াও আরও অনেক গুনাগুণ রয়েছে। ।তবে কোনও কোনও বিশেষজ্ঞদের মতে শসা ক্ষতিও করতে পারে।

জেনে নেই শসার উপকারিতা সম্পর্কে:-

  • ফাইবার ও ফ্লুইডসমৃদ্ধ শসা শরীরে ফাইবার এবং পানির পরিমাণ বাড়ায়। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফাইবার থাকার কারণে শসা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে।
  • শসার রস আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও উপকারী।
  • মিনারেলসমৃদ্ধ শসা নখ ভালো রাখতে, দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় সাহায্য করে।
  • ডাক্তারের পরামর্শনুযায়ী শসার রস খেলে আর্থ্রাইটিস, অ্যাগজিমা, হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যায় উপকার হতে পারে।
  • গাজরের রসের সাথে শসার রস মিশিয়ে খেতে পারেন, ইউরিক অ্যাসিড থেকে ব্যথার সমস্যা হলে অনেক কাজে দেবে।
  • শসায় রয়েছে স্টেরল নামের এক ধরনের উপাদান, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন, শসার খোসায়ও স্টেরল থাকে।
  • ওবেসিটি নিয়ন্ত্রণে শসা খুব উপকারী।
  • কিডনি, ইউরিনারি, ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যায় শসা বেশ সাহায্য করে থাকে।
  • এরেপসিন নামক অ্যানজাইম থাকার কারণে শসা হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধান করে থাকে।
  • শসা বা শসার রস ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও বেশ উপকারী।

এবার জেনে নিন শসার অপকারিতা সম্পর্কে:-

যেহেতু শশা একটি কম ক্যালরিযুক্ত খাবার তাই শশা কেন অন্য যেকোন কম ক্যালরি যুক্ত খাবার একনাগারে খেতে থাকলে ওজন কমে যাবে। কিন্তু সেই সঙ্গে আপনার শরীরে দেখা দেবে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদনের ঘাটতি। অন্য খাবার কম খেয়ে সারাদিন বা অতিরিক্ত পরিমানে শশা খেতে থাকলে বা ক্ষুধা লাগলেই শশা খেলে বদহজম, গ্যাসের সমস্যাসহ পেট ফাঁপা, পেট ব্যাথা, বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়।

প্রায় এক মাস ধরে ওজন কমাতে সারাক্ষণ শশা খেলেই ঘটবে নানা বিপত্তি। শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবে শরীর ভীষণ দুর্বল হয়ে যাবে। কাজ করার শক্তি পাবেন না। রক্ত কমে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। এছাড়াও রক্তে গ্লুকোজের অভাবে মাথা ঘুরে পরে যাওয়ার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটতে পারে।

এছাড়াও কিছু নিউট্রিশানিস্টদের মতে, রাতে শসা খাওয়া উচিত নয়। অনেকেই মনে করেন শসার অধিকাংশ জল থাকায় তা সহজে হজম করা যায়। তবে ৯৫ শতাংশ জল থাকা সত্ত্বেও শসা হজম করা কঠিন। রাতে সহজপাচ্য খাবার খাওয়া উচিত। তাই ঘুমোতে যাওয়ার কমপক্ষে দু-তিন ঘণ্টা আগে খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। রাতে বেশি শসা খেলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, পাশাপাশি হজমের সমস্যাও হয়।

কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে অধিক পরিমাণে শসা খেলে পেট ফুলে যেতে পারে। আবার পেটের সমস্যা থাকলে শসা ক্ষতি করতে পারে। এমনকি ফুলকপি ও ব্রকোলির মতোই শসা খাবার ফলেও গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ড্রাগস.কম-এর মতে শশায় উপস্থিত কুকুরবিটেসিন এর জন্য দায়ী। কুকুরবিটেসিনের কারণে শসায় তিক্ততা থাকে।

শসার নিউট্রিশন ভ্যালু অনেক বেশি, তাই এটি খাওয়া বন্ধ করবেন না। বরং সঠিক উপায় খান। শসার অধিক পরিমাণে জল থাকে, তাই এটি খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জল পান করতে নেই। আবার শসার খোসায় অধিক পরিমাণে কুকুরবিটেসিন পাওয়া যায়। তাই এটি ভালো করে ধুয়ে, খোসা ও টিপ ছাড়িয়ে খাওয়া উচিত।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ 

আরও সংবাদ

কোথায় কত ঘন্টা বাঁচতে পারে ওমিক্রন!

কমিউনিটি নিউজ

দেশে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ দুই বাড়ছে

কমিউনিটি নিউজ

ইউরোপে সাড়ে ৭ কোটি ছাড়িয়েছে আক্রান্ত

কমিউনিটি নিউজ

২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু

কমিউনিটি নিউজ

হঠাৎ সর্দিজ্বর হলে কী করবেন?

কমিউনিটি নিউজ

বাংলাদেশে ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট হবে : প্রধানমন্ত্রী

কমিউনিটি নিউজ