30 C
Dhaka
আগস্ট ১২, ২০২২

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন ১ টি কলা খাবেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক:  উৎপাদন, স্বাদ ও সুগন্ধের দিক থেকে শ্রেষ্ঠ হওয়ায় কলাকে ফলের রানী বলা হয়। কলা সারা বছরের ফল। গ্রাম থেকে শুরু করে শহরে; সবখানেই পাওয়া যায় বিভিন্ন জাতের কলা। আর এই কলা খাওয়ার যে কত স্বাস্থ্য উপকারিতা, তা রীতিমত বিস্ময়কর।

একটি বড় মাপের কলা খেলে ১০০ ক্যালরির বেশি শক্তি পাওয়া যায়। কলাতে রয়েছে সহজে হজমযোগ্য শর্করা। এই শর্করা খাদ্য সহজে হজম করতে সাহায্য করে। কলার মধ্যে থাকা আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন উত্‍পাদনে সাহায্য করে।
এবার জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন একটা করে কলা কেন খাবেন—

মানবদেহের ক্ষয়পূরণ, পুষ্টিসাধন এবং সুস্থ-সবল ও নীরোগ রাখার জন্য যেসব পুষ্টি উপাদান দরকার তার প্রায় সবগুলোই কলাতে আছে। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, খাবার উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা কলাতে আছে ৭.০ গ্রাম প্রোটিন, ২৫ গ্রাম শর্করা, ০.৮ গ্রাম চর্বি, ০.১০ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-১ (থায়ামিন), ০.০৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-২ (রাইবোফ্ল্যাভিন) ও ২৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’। এছাড়া প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা কলাতে আছে ১৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৯০ মিলিগ্রাম লৌহ, ৮০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন (ভিটামিন ‘এ’) এবং ১০৯ কিলোক্যালোরি খাদ্যশক্তি।

আরো পড়ুন:

স্বাস্থ্য ভালো করার উপায়

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খেতে পারেন চিয়া সিড

তৈরি করুন ভিন্ন স্বাদের গাজরের মালাইকারি

কলা উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। কলায় প্রচুর উচ্চ পটাশিয়াম আছে এবং চর্বির পরিমাণ কম থাকে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা উচ্চরক্তচাপ কমানোর জন্য ওষুধের পরিবর্তে কলাজাতীয় ফল, কম চর্বিযুক্ত খাবার এবং কাঁচা লবণ কম খাওয়ার পরামর্শ দেন।

এছাড়া কলা খেলে মানসিক চাপ কমে, মানসিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি হয়। কলায় সোডিয়ামের পরিমাণ কম এবং পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এটি স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমায়। কলায় প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম থাকায় এটি মাথাব্যথার প্রাকৃতিক নিরাময় হিসেবে কাজ করে। তাই মাথাব্যথা করলে ঔষধ না খেয়ে কয়েকটা পছন্দের কলা খেয়ে নিন।

এদিকে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েব সাইট হেলদি ফুড টিম জানিয়েছে দেহের ১০ টি সমস্যার কথা যা রোধে কলা খাওয়া বেশ উপকারী। নিম্নে আলোচনা করা হলো :-

১. কলা শক্তির (এনার্জি) অত্যন্ত ভালো উৎস। এর ফলে অনেক খেলোয়াড়কেই বেশি পরিমাণ কলা খেতে দেখা যায়।

২. কলার মধ্যে রয়েছে এমাইনো এসিড, যেটি মানসিক চাপ রোধক হিসেবে কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম- যা বিষণ্ণতা রোধে কাজ করে।

৩. কলার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং সামান্য পরিমাণ লবণ যা হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে সাহায্য করে; এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে।

৪. প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়া স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

৫. এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ আয়রন, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায় এবং যেসব রোগীর রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া রোগ রয়েছে তাদের জন্য এটি বেশ উপাদেয়।

৬. কলা দেহের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৭. সন্তানসম্ভবা নারীর জন্য কলা খাওয়া খুবই উপকারী। কেননা এটি সকালেবেলার  দুর্বলতা কাটাতে কাজ করে এবং রক্তের শর্করার সামঞ্জস্য বজায় রাখে।

৮. কলা পাকস্থলির এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং পাকস্থলির আলসার রোধে কাজ করে।

৯. এর মধ্যে ছয় ধরনের ভিটামিন রয়েছে, যা রক্তে শর্করা গঠনে কাজ করে।

১০.এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। রোজ সকালে এটি পাকা কলা খাওয়া আপনার কোষ্টকাঠিন্য দূর করে শরীরকে সুস্থ রাখবে।

পাকা কলা টাটকা ফল হিসেবে সরাসরি খাওয়া যায় বলে এর পুষ্টি উপাদান অবিকৃত অবস্থায় আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। তাই নিয়মিত পাকা কলা খেলে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি হয় না। কলায় যে লৌহ জাতীয় পুষ্টি উপাদান থাকে, তা রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। লৌহের ঘাটতি পূরণে কলার ভূমিকা যথেষ্ট। তাই লৌহের অভাবজনিত রক্তস্বল্পতা ও অপুষ্টিতে আক্রান্ত মহিলাদের জন্য কলা হতে পারে দুঃসময়ের বন্ধু। ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘বি’-এর উৎকৃষ্ট উৎস কলা। এজন্য কলাকে বলা হয় মস্তিষ্কের খাবার। কলাতে কোনো ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল নেই। তাছাড়া এতে কোনো দ্রবণীয় চর্বি (স্যাচুরেটেড ফ্যাট) নেই।

  • চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কলা রাখলে ৪০ শতাংশ স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়া পাকস্থলীর দেয়ালকে এসিডের হাত থেকে রক্ষা করতে কলার যথেষ্ট ভূমিকা আছে। গলার ঘায়ে, শুল্ক কাশিতে ও কিডনি রোগের ক্ষেত্রে পাকা কলা উপকারী।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

প্রতিষ্ঠান বন্ধ সত্যেও কর্মচারিদের বেতন দিচ্ছেন নেইমার

খেলা ডেস্ক: গত বছর মার্চে তার প্রতিষ্ঠান দ্য নেইমার জুনিয়র ইন্সটিটিউট এই করোনার কারণেই বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলেও সেখানে চাকরিরত কর্মচারিদের চাকরি হারাননি কেও । সেই মার্চ থেকে নিজের গাঁটের পয়সা খরচ করে প্রতিষ্ঠানের ১৪২ কর্মচারির বেতন দিয়ে যাচ্ছেন খোদ নেইমার!

মহামারির আগ পর্যন্ত প্রাইয়া গ্রান্দের ৩০০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরকে সেবা দানের কাজটি করত তার প্রতিষ্ঠান। কিন্তু মহামারির কারণে তার প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম থমকে পড়ে। তবে নেইমার ঠিকই তার প্রতিষ্ঠানের ১৪২ কর্মকর্তা-কর্মচারির বেতন দিয়ে গেছেন নিয়মিত।এ কাজে প্রতি মাসে নেইমারকে দিতে হয়েছে ৯০ হাজার ইউরো।

আরো পড়ুন:

জাতীয় ক্রিকেট দলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে পুলিশ:আইজিপি

কোহলির জীবনের সেরা মুহূর্ত ক্যাটরিনার সাথে কথা বলা

পাক যুবাদের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, নেইমার পক্ষের পরিকল্পনা আছে এটা চলতি মহামারি শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার।

নেইমারের বাবা সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, মহামারি যতদিন শেষ না হবে। বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করে তাদের চাকরি ও বেতন নিশ্চিত আছে, মহামারি যতদিন চলছে ততদিন থাকবেও।’ ‘আমার পরিবার ও আমি এই কাঠামোটার সঞ্চালনা করছি। ১৪২ জন চাকরিজীবীর সবাই পূর্ণ বেতন-ভাতা পেয়ে যাচ্ছেন। আর আমরা আমাদের নিজস্ব সম্পদ থেকে এটা চালিয়ে যাচ্ছি।’

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

সিদ্ধ ডিম রেখে কতক্ষণ পর খাওয়া নিরাপদ?

কমিউনিটি নিউজ

কোথায় কত ঘন্টা বাঁচতে পারে ওমিক্রন!

কমিউনিটি নিউজ

দেশে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ দুই বাড়ছে

কমিউনিটি নিউজ

ইউরোপে সাড়ে ৭ কোটি ছাড়িয়েছে আক্রান্ত

কমিউনিটি নিউজ

২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু

কমিউনিটি নিউজ

হঠাৎ সর্দিজ্বর হলে কী করবেন?

কমিউনিটি নিউজ