28 C
Dhaka
আগস্ট ১২, ২০২২

ডি ভিলিয়ার্স প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ভারতের তাজমহলে

কমিউনিটিনিউজ ডেস্ক:   বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ভারতের মানুষের কাছে এক জনপ্রিয় ব্যক্তির নাম এবি ডি ভিলিয়ার্স। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে খেলার সুবাদে ভারতে পরিচিত মুখ দক্ষিণ আফ্রিকার এ মারকুটে ব্যাটসম্যান। শুধু আইপিএল দিয়েই নয়, ভারতের সঙ্গে অন্যরকম এক যোগসূত্রও স্থাপন করেছেন ডি ভিলিয়ার্স।  তার বিয়ের ক্ষেত্রে রয়েছে মজার ঘটনা। ভারতের তাজমহলে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ডি ভিলিয়ার্স। তারপর তাদের বিয়ে ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে ডি ভিলিয়ার্সের স্ত্রী ড্যানিয়েলকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ‘আপনাদের বিয়ে কি ভালোবেসে নাকি পরিবার থেকে ঠিক করা? যদি ভালোবেসে হয়, তাহলে কে আগে প্রস্তাব দিয়েছে এবং কোথায়?’

তার স্ত্রী লিখেছেন, ‘আমি এ বিষয়ে অনেকগুলো প্রশ্ন পেয়েছি। আমাদের বিয়েটা ভালোবেসেই হয়েছে। এবি আমাকে ভারতের আগ্রায় তাজমহলে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে।’

উল্লেখ্য, ড্যানিয়েলের সঙ্গে ডি ভিলিয়ার্সের প্রথম পরিচয় হয়েছিল নিজের মায়ের সঙ্গে একটি হোটেলে দুপুরের খাবার খেতে গিয়ে। খাবার খাওয়া শেষে সেই হোটেলের মালিকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় ডি ভিলিয়ার্সকে। তখন জানা যায়, ড্যানিয়েল হোটেল মালিক জন সোয়ার্টের মেয়ে।

বেশ কিছুদিন আগে তাজমহলে বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার বিষয়ে ডি ভিলিয়ার্স বলেছিলেন, ‘আইপিএলের কয়েক মাস আগে থেকেই আমি ঠিক করে রেখেছিলাম এবার আংটি নিয়ে তাকে (ড্যানিয়েল) বিয়ের কথা বলবো। যখন আইপিএলে গেলাম, তখন সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাকর্মীর নাম করে আমি ফটোগ্রাফার নিয়ে ড্যানিয়েলের সঙ্গে ঘুরতে বের হই। তখন ড্যানিয়েলকে বলেছিলাম যে, নিরাপত্তার কথা ভেবে এভাবে নিরাপত্তাকর্মী নিয়েই ঘুরতে হবে। তাই সে এটি নিয়ে মাথা ঘামায়নি। পরে যখন বিয়ের প্রস্তাব দিলাম, তখন তার জন্য এটা অনেক বড় সারপ্রাইজ ছিল এবং পুরোটাই ক্যামেরায় রেকর্ড করা হয়েছিল।’

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ 

নতুন-ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরকারের কাছে নেই

কমিউনিটিনিউজ ডেস্ক: নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর তিন মাস পেরিয়ে গেলেও বিদ্যালয়ে নতুন ভর্তি এবং ঝরে পড়ার বিষয়ে সরকারের কাছে পূর্ণাঙ্গ তথ্য নেই। মাউশি মহাপরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রায় এক লাখ আসন শূন্য ছিল। সবগুলো আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। বেসরকারি স্কুলের তথ্য আমাদের কাছে নেই। বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, তাদের ভর্তি চলছে এবং অনেক অভিভাবকরা নিয়মিত ক্লাস দ্বিতীয়বারের মতো রাখতে নতুন ক্লাসে শিশুদের ভর্তি করতে অনীহা প্রকাশ করছেন।’ তবে স্কুলগুলো ফের চালু হলেই ড্রপ-আউটের (ঝরে পড়া) সঠিক সংখ্যা বের করা যাবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আলমগীর মো. মনসুরুল আলম ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক জানান, স্কুলগুলোর তথ্য পাঠানোর জন্য মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এখনেও সে তথ্য পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেনস অ্যাসোসিয়েশনের একটি অংশের সদস্য সচিব মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে আনুমানিক ৫ হাজার কিন্ডারগার্টেন এক বছরের জন্য লোকসানের কারণে স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে। অনেক বাবা-মা তাদের সন্তানকে ঢাকা থেকে নিজের গ্রামে চলে গেছেন। অনলাইনে ক্লাস সুবিধা না থাকায় অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানকে বাসায় পড়াচ্ছেন।’

ডিপিই মহাপরিচালক মনসুরুল আলম বলেন, ‘২০২১ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ক্লাসে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ৩১ মার্চের মধ্যে তালিকা পাঠাতে নির্দেশনা দেই, তবে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় এখনও অনেকে তা পাঠাতে পারেনি। আমরা এ পর্যন্ত যে তথ্য পেয়েছি তাতে বোঝা যায় জেলা শহর, উপজেলা ও গ্রামীণ অঞ্চলে বিদ্যালয়ে ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে এবং শহরের স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমেছে।’

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর কারণে সরকারি বিদ্যালয়গুলোর অনেক শিক্ষার্থী এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলে গেছে। সে সম্পর্কে নথিপত্র দেখিয়ে সরকারি স্কুলগুলোকে ভর্তি নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সে কারণে গ্রামীণ অঞ্চল ও উপজেলার স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে।’  ‘আমরা কিন্ডারগার্টেনগুলোকে তালিকা পাঠাতে বলিনি। বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয়শুমারী প্রকল্পের আওতায় তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।’

এ বিষয়ে গণস্বাক্ষরতার নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ‘সরকারকে চলতি শিক্ষাবর্ষে নতুন ভর্তি ও পুরনোদের তালিকাভুক্তির সংখ্যা দ্রুত সংগ্রহ করতে হবে। ড্রপআউট হার গণনা করতে হবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে সমস্ত শিশুদের স্কুলে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় কত শিক্ষার্থী ঝরে পড়লো তা জানা সম্ভব হবে না।’

করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে সব শিক্ষার্থীর কাছে শিক্ষা পৌঁছে দেয়া যায় সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

  • শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ, দারিদ্র্য, স্থানান্তর, কাজে নিয়োজিত হওয়াসহ বিভিন্নভাবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ঝরে পড়ার সংখ্যা অনেক বাড়ার পূর্বাভাস আছে।

২০১৯ সালে প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুসারে, প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার প্রায় ১৮ শতাংশ ছিল এবং এটি মাধ্যমিক স্তরে ৩৫ শতাংশের কাছাকাছি ছিল। ২০১৭ সালে ছিল যথাক্রমে ২১ শতাংশ এবং ৪৬ শতাংশ। বছর শুরুর দুই মাসের মধ্যে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করে তা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে দেয়ার কথা থাকলেও তিন মাস পরেও তা দেয়া হয়নি।

এছাড়াও চলতি গত বছরের ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ, স্থানান্তর, কাজে যোগদান, দারিদ্র্যসহ বিভিন্ন কারণে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ 

আরও সংবাদ

টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

কমিউনিটি নিউজ

বাংলাদেশকে নিয়ে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা পাকিস্তানের

কমিউনিটি নিউজ

মেসির কারণে অখুশি পিএসজি

কমিউনিটি নিউজ

পাকিস্তানের কোচ হচ্ছেন কারস্টেন!

কমিউনিটি নিউজ

ক্রিকেটার নাসির-তামিমার বিয়ে অবৈধ: পিবিআই

কমিউনিটি নিউজ

আজ রাতেই দেশ ছাড়ছেন সাকিব-মোস্তাফিজ

কমিউনিটি নিউজ