27 C
Dhaka
ডিসেম্বর ২, ২০২২

শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে ফাইনালে বার্সা

খেলা ডেস্ক, কমিউনিটি নিউজ: ম্যাচটি ছিল স্প্যানিশ সুপার কাপের সেমিফাইনাল। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ। অতিরিক্ত ত্রিশ মিনিটেও এলো না ফলাফল। শেষে দ্বারস্থ হতে হলো টাইব্রেকারের। যেখানে প্রথম চারটি শটের জন্য খেলোয়াড়ের নাম আগেই ঠিক করে রেখেছিলেন বার্সেলোনা কোচ রোনাল্ড কোম্যান। পঞ্চম শট কে নেবে? প্রশ্ন রাখতেই উদ্দীপ্ত কণ্ঠে ২১ বছর বয়সী রিকি পুইগ বললেন, আমি নেবো!

প্রথমে টাইব্রেকারে শট দেয় রিয়াল সোসিয়েদাদ। পাঁচটি শট শেষে ২টি গোল করতে পারে তারা। অপরপ্রান্তে বার্সেলোনা প্রথম চার শটের ২ বারই সফল হন। ফলে রিকি পুইগের কাঁধ পড়ে ম্যাচ নির্ধারণী শট নেয়ার ভার। হেরে গেলে বিদায় নিতে হবে – এমন কঠিন চাপের মুখে দাঁড়িয়ে কোনো ভুল করেননি পুইগ,বার্সাকে ফাইনালে পৌঁছেছে পেনাল্টি শুটআউট জিতে।

শেষের নায়ক যদি রিকি পুইগ হন, তাহলে ম্যাচের মূল নায়ক হবেন গোলরক্ষক মার্ক টের স্টেগান। যার পারফরম্যান্সের কল্যাণে টাইব্রেকারে শ্বাসরুদ্ধকর এক জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। যেখানে মূল ম্যাচ ছিল ১-১ গোলে ড্র এবং অতিরিক্ত ত্রিশ মিনিটেও কোনও গোল হয়নি। পরে টাইব্রেকারে বার্সেলোনা জিতেছে ৩-২ গোলে।

তবে বার্সার ফরোয়ার্ড লাইনে ছিলেন না দলের প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি। পুরো ম্যাচেই অনুভূত হয়েছে তার অভাব। পুরো ১২০ মিনিটেও একটির বেশি গোল করতে পারেনি বার্সেলোনা। উল্টো সোসিয়েদাদের আক্রমণে কেঁপেছে বার্সার রক্ষণ ভাগ, বারবার দলকে উদ্ধার করেছেন জার্মান গোলরক্ষক টের স্টেগান।

মেসিকে ছাড়া কর্দোবার নুয়েভো আর্সাঙ্গেলে খেলতে নেমে প্রথমার্ধে আক্রমণের চেয়ে বেশি রক্ষণেই মনোযোগ দিতে হয়েছে বার্সেলোনাকে। আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থাকা সোসিয়েদাদ প্রথমার্ধেই বেশ কয়েকটি জোরালো আক্রমণ করে। কিন্তু কখনও স্টেগানের বিশ্বস্ত হাত, আবার কখনও ফিনিশিং ব্যর্থতায় গোলবঞ্চিত হন তারা।

ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন ফ্রেংকি ডি ইয়ং। ৩৯ মিনিটের সময় গ্রিজম্যানের ক্রসে হেডে বল জালে জড়ান বার্সার মিডফিল্ডার। দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধের জন্য বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি সোসিয়েদাদকে। ম্যাচের ৫১ মিনিটের সময় ডি-বক্সের মধ্যে হ্যান্ডবল করে ফ্রেংকি ডি ইয়ং। ফলে পেনাল্টি পায় সোসিয়েদাদ। সফল স্পট কিকে দলকে লিড এনে দেয় মিকেল ওয়ারজাবাল।

শুধু মূল ম্যাচেই নয়, টাইব্রেকারেও নায়ক ছিলেন স্টেগান। ত্রিশ মিনিটে দুই দল গোল না পাওয়ায় ফল মীমাংসার জন্য খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। যেখানে জন বাতিস্তা ও ওয়াজাবালের নেয়া প্রথম দুই শট ঠেকিয়ে দেন স্টেগান। তৃতীয় শট পোস্টে মারেন উইলিয়াম হোসে। ফলে উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দেয় বার্সার সামনে।

কিন্তু বার্সার হয়েও প্রথম শট মিস করেন ডি ইয়ং। তবে দ্বিতীয়, তৃতীয় শটে গোল করেন ওসুমানে দেম্বেলে ও মিরালেম পিয়ানিচ। পরে চতুর্থ শটে সোসিয়েদাদের প্রথম গোল করেন মিকেল মেরিনো কিন্তু মিস করেন বার্সেলোনার গ্রিজম্যান। পঞ্চম শটে আবার লক্ষ্যভেদ করে সোসিয়েদাদের আশা বাঁচিয়ে রাখেন আদনান ইয়ানুজাই।

ফলে ম্যাচের ফল নির্ধারণের ভার গিয়ে পড়ে সাহসী তরুণ রিকি পুইগের কাঁধে। বুদ্ধিদীপ্ত শটে গোল করেন পুইগ।ফলে মেসিকে ছাড়াই সেমিফাইনাল জিতে বার্সেলোনা পেয়ে যায় স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালের টিকিট।

আগামী ১৭ জানুয়ারি হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ। যেখানে বার্সেলোনার প্রতিদ্বন্দ্বী হবে রিয়াল মাদ্রিদ বনাম অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনাল জয়ী দল।

আরও সংবাদ

টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

কমিউনিটি নিউজ

বাংলাদেশকে নিয়ে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা পাকিস্তানের

কমিউনিটি নিউজ

মেসির কারণে অখুশি পিএসজি

কমিউনিটি নিউজ

পাকিস্তানের কোচ হচ্ছেন কারস্টেন!

কমিউনিটি নিউজ

ক্রিকেটার নাসির-তামিমার বিয়ে অবৈধ: পিবিআই

কমিউনিটি নিউজ

আজ রাতেই দেশ ছাড়ছেন সাকিব-মোস্তাফিজ

কমিউনিটি নিউজ