28 C
Dhaka
মে ১৫, ২০২১

প্রবাসীর আহাজারি পোস্ট

প্রবাস ডেস্ক: প্রবাস জীবন আকর্ষণীয় হলেও পেছনে থাকে অন্যকিছু। কেউ হয়তো কর্মজীবনের কিছু সময়ের জন্য প্রবাসী হন, আবার কেউ সারা জীবন কাটাতে। এ জীবন কারো জন্য সুখের, কারো জন্য দুঃখের। দেশ থেকে মানুষ বিদেশ যায় দেশের মানুষগুলোকে ভালো ও আনন্দে রাখার জন্য। দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখা ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রবাসীদের ভূমিকা কম নয়।

আরো পড়ুন:>>দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের প্রতি প্রবাসীদের অনুরোধ  <<

প্রবাসের কর্মজীবিরা মা-বাবা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তানকে ভালো রাখার জন্যই রাত-দিন পরিশ্রম করে থাকেন। তাই প্রবাসের জীবন একটু ভিন্ন।

আরো পড়ুন:>>প্রবাসীদের জন্য চলবে বিশেষ ফ্লাইট  <<

যদি কারো বাবা বা কারো মা  অথবা আত্মীয়-স্বজন মারা কেমন লাগবে প্রবাসীর। হয়তো অনেকের ঘটেছে।  এমনি এক প্র্রবাসীর জীবনে এমন ঘটনাও ঘটেছে।

কমিউনিটিনিউজ পাঠকদের জন্য হবহু তুলে ধরা হলো:

“আনুমানিক ভোর ৫টা হবে। এত ভোরে কে কাঁদে? এই কান্না আমার খুব পরিচিত মনে হয়। কোথা থেকে এ কান্নার শব্দ আসছে? ডানে-বাঁয়ে কান খাড়া করে ভালোমতো শোনার চেষ্টা করেও কান্নার সঠিক ঠিকানা খুঁজে পেলাম না। এক মুহূর্ত দাঁড়িয়ে চিন্তা করলাম, আমি কি ভুল শুনছি?

আধুনিক কর্মব্যস্ত জীবনে এ অচিন শহরে দম ফেলার সময় নেই কারও। জীবনের সব সুখ-দুঃখ, হাসি–আনন্দ এবং মা–বাবা, আত্মীয়স্বজনের আদর-স্নেহ থেকে নিজেকে বঞ্চিত করে আমরা প্রবাসে থাকি। এটা যে কত কষ্টের, একটু উপলব্ধি করলেই বোঝা যাবে।

এখানে আসার পর দেশের জন্য আমিও তো কারণে অকারণে এমন ডুকরে কেঁদেছি। কিন্তু সত্যিই পুরুষকণ্ঠের কান্না কানে আসছে, ভেসে আসছে। সাধারণত ছেলেরা এমন চিৎকার করে কাঁদে না। চারদিকে তাকিয়ে খুঁজতে চেষ্টা করি, কোন দিক থেকে আসছে এমন কান্নার শব্দ। নিশ্চয়ই কেউ অসুস্থ।

এদিকে সমানে ‘মা গো… আম্মা আম্মা’ বলে পুরুষকণ্ঠটি কেঁদেই চলছে। কান্নার শব্দ শুনে অনেকটা শব্দের কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করলাম। সামনে গিয়ে যা দেখলাম দৃশ্যটি দেখার মত আমি প্রস্তুত ছিলাম না।পরিচিত একটা মুখ। এক সাথে অনেকদিন কাজ করেছি।

কাজের এক কিনারায় বসে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদঁছে, তিনি মুঠোফোন হাতে নিয়ে কী যেন দেখছেন আর চিৎকার করে কাঁদছেন।৷ তাকে সান্ত্বনা দেয়ার পাশাপাশি জিজ্ঞেস করলাম ‘ভাই, কী হয়েছে?’ সে বললো আমার মা মারা গেছে।’

কথাটা শুনেই মনে হলো, গলার ভেতর শক্ত কিছু দলা পাকিয়ে আমার কণ্ঠ বন্ধ করে দিচ্ছে। আমি কাঁদতে চাইছি না, কিন্তু হাউমাউ করে কান্না চলে আসছে।

সে ভিডিও কলে মৃত মায়ের মুখ দেখছেন আর চিৎকার করে কাঁদছেন। কী করুণ সে দৃশ্য, নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কষ্টকর।

সবাই প্রবাসীর মায়ের জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন উনাকে (মা) কে জান্নাত নসিব করেন। এবং প্রবাসি ভাইকে ধৈর্য শক্তি দিন।”

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

বাংলাদেশসহ চার দেশের ওপর সিঙ্গাপুর ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

সিঙ্গাপুর

প্রবাস ডেস্ক: করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশসহ চার দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সিঙ্গাপুর। বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকসহ যারা এই দেশগুলোতে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে অবস্থান করেছেন, তাদেরকে সিঙ্গাপুরে প্রবেশ বা দেশটির ভেতর দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হবে না। শনিবার স্থানীয় সময় ১১টা ৫৯ মিনিট থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। যারা ইতোমধ্যে সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে দেশটিতে প্রবেশের আগাম অনুমোদন পেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে দেশটির আন্তঃমন্ত্রণালয়।

আরো পড়ুন: প্রবাসীদের জন্য চলবে বিশেষ ফ্লাইট

আন্তঃমন্ত্রণালয় জানায়, কোভিড-১৯ টাস্কফোর্স এর জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে । চার দেশের ওপর সিঙ্গাপুরের এ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আগামী ২ মে (রোববার) থেকে কার্যকর হবে। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলংকা থেকে কেউ সিঙ্গাপুরে ঢুকতে পারবেন না। এসব দেশে যারা গত ১৪ দিনে ভ্রমণ করেছেন তারাও ঢুকতে পারবেন না। এমনকি যারা ট্রানজিট ভিসায় ঢোকার অপেক্ষায় আছেন এবং এই চার দেশ ভ্রমণ করেছেন তারাও রোববার থেকে সিঙ্গাপুরে ঢুকতে পারবেন না।

আরো পড়ুন:>>প্রবাসীদের জন্য চলবে বিশেষ ফ্লাইট  <<

‘দীর্ঘমেয়াদি পাস হোল্ডার’ ও ‘শর্ট টার্ম’ যেসব ভ্রমণকারী বিগত ১৪ দিন এসব দেশে অবস্থান করেছেন বা ভ্রমণ করেছেন তারা সরাসরি কিংবা ট্রানজিট হয়ে সিঙ্গাপুরে ঢুকতে পারবেন না।

আরো পড়ুন:>>দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের প্রতি প্রবাসীদের অনুরোধ  <<

দেশটির আন্তঃমন্ত্রণালয় কোভিড-১৯ টাস্কফোর্সের উপপ্রধান লরেন্স অং জানিয়েছেন, আগে থেকে সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যারা সিঙ্গাপুরে ঢোকার আগাম অনুমতি নিয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রেও আগামী রোববার থেকে এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। অর্থাৎ অনুমতি থাকার পরও ঢুকতে দেওয়া হবে না।

আরো পড়ুন:>>রমজানে প্রবাসীদের কর্মঘণ্টা কমালো আমিরাত  <<

এছাড়া সম্প্রতি এই চার দেশ সফর করে এসে এখন যারা সিঙ্গাপুরে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন এবং আগামী ৩ মে যাদের কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে তাদেরকে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে আরও ৭ দিন থাকতে হবে।

আরো পড়ুন:>>মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের পাসপোর্ট সেবা নিশ্চিতে পাইলট প্রজেক্ট শুরু  <<

আর যারা আগামী ২ মে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের আগেই সিঙ্গাপুরে প্রবেশ করবেন, তাদেরকে সেখানে যাওয়ার পরপরই একবার, পরে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনের শেষদিনে একবার এবং ২১ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে আরও একবার পিসিআর টেস্ট করাতে হবে।

আরো পড়ুন:>>প্রবাস জীবন মানেই সুখের অভিনয়  <<

লরেন্স অং জানিয়েছেন, ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি এবং এর প্রতিবেশী দেশগুলোতে ভাইরাসটির সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার কারণে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহ ধরে ভারতে দৈনিক তিন লক্ষাধিক রোগী শনাক্ত হচ্ছে।

আরো পড়ুন:>>কাতারে করোনায় বাংলাদেশির মৃত্যু  <<

ওয়াং বলেন, ‘আমরা সর্বশেষ কিছু সীমান্ত ব্যবস্থা ঘোষণা করেছিলাম, দুর্ভাগ্যক্রমে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি সংক্রমণটি ভারত ছাড়িয়ে আশেপাশের দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে।’

আরো পড়ুন:>> পুঁজিবাজারে মূল্য সংশোধন  <<

এর আগে, ভারতের ওপর একইরকমের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে সিঙ্গাপুর। বলা হয়েছিল, ভারতের নাগরিকসহ গত দুই সপ্তাহের মধ্যে যারা ভারতে অবস্থান করেছেন, তাদেরকে সিঙ্গাপুরে প্রবেশ বা দেশটির ভেতর দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হবে না।

আরও সংবাদ

যুক্তরাজ্যের ভ্রমণে লাল তালিকায় বাংলাদেশ

কমিউনিটি

বাংলাদেশসহ চার দেশকে আমিরাত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

কমিউনিটি

ফের লন্ডনে মেয়র পদে জয়ী সাদিক খান

কমিউনিটি

পরিবারের ঈদই আমাদের আনন্দ

কমিউনিটি

পর্তুগালকে সবুজ জোন হিসেবে ঘোষণা করার চিন্তা যুক্তরাজ্যের

কমিউনিটি

বাংলাদেশসহ চার দেশের ওপর সিঙ্গাপুর ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

কমিউনিটি