27 C
Dhaka
ডিসেম্বর ২, ২০২২

সিঙ্গাপুরে ১১০০ শ্রমিক কোয়ারেন্টাইনে

বাংলাদেশিসহ

প্রবাস ডেস্ক: ১১ জনের করোনা শনাক্তের পর সিঙ্গাপুরের একটি শ্রমিক আবাসনে এক বাংলাদেশি শ্রমিকসহ ১১০০ শ্রমিককে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। সরকারি একটি ভবনে তাদের ১৪ দিন আলাদা করে রাখা হবে বলে জানিয়েছে সেঞ্চুরিয়ান কর্পোরেশন আবাসন কোম্পানি ।

যে আবাসনের শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইনে আনা হয়েছে, সেটির নাম ওয়েস্টলাইট উডল্যান্ডস ডরমেটরি। ‘সেঞ্চুরিয়ান কর্পোরেশন’ নামের এই কম্পানিটি সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি  প্রতিষ্ঠান ।

সিঙ্গাপুরের সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, গত সোমবার করোনা টেস্ট করার সময় ওই আবাসনে বসবাসকারী ৩৫ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিসহ ১১জন  শ্রমিকের করোনা শনাক্ত হয়।

এদিকে গত ১৩ এপ্রিল ওই বাংলাদেশি শ্রমিক করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছিলেন। তার কক্ষের অপর শ্রমিকও করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হন।

বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যম রয়টার্স থেকে জানা গেছে, ওই আবাসন ভবন এলাকা থেকে ১০টি বাসে করে শ্রমিকদের সরিয়ে নিয়েছেন।করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে যে ৬০ হাজারের বেশি আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের একটি বড় অংশ হচ্ছেন দেশটিতে বসবাসকারী দক্ষিণ এশীয় শ্রমিকরা। ওই সময় যেসব আবাসনে এই শ্রমিকরা থাকতেন, সেগুলোতে লকডাউন জারি করা হয়েছিল।

দ্য স্ট্রেইটস টাইমস জানা গেছে, সোমবারের নিয়মিত টেস্টে ওই আবাসনের মোট ১১ জন করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। তাদের ১০ জনই এর আগে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং সুস্থও হয়ে উঠেছিলেন। এই নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো আক্রান্ত হলেন তারা।

বুধবার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, আক্রান্তদের দ্রুত আলাদা করে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকশাস ডিজিজেসকে (এনসিআইডি) জানানো হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নগররাষ্ট্র সিঙ্গাপুর স্থানীয় ব্যপস্থাপনাতেই করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছিল। সবশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বরে শ্রমিক আবাসনের বাসিন্দাসহ ১০ জনেরও বেশি মানুষের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পরে। এরপর থেকে আক্রান্তের আর কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায় উপসর্গসহ ভাইরাসজনিত রোগের ক্ষেত্রে টিকা কাজ করলেও এ বিষয়ে আরও গবেষণা দরকার।

করোনা ভাইরাসের নতুন ধরণ এবং বর্তমানে যেসব টিকা পাওয়া যাচ্ছে সেসব কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর এ ঘটনায় তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

বুধবার শ্রমিক আবাসনের এ ব্লকে তৃতীয় এবং অষ্টম তলার শ্রমিকদের পরীক্ষা করা হয়। সোমবার শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকও এ ব্লকেরই বাসিন্দা।

নগররাষ্ট্র সিঙ্গাপুর স্থানীয় ব্যপস্থাপনাতেই করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছিল। করোনাভাইরাস মহামারী শুরুর পর দেশটিতে আক্রান্ত ৬০ হাজার মানুষই ছিল জনাকীর্ণ শ্রমিক আবাসনের বাসিন্দা। এসব আবাসনের বেশিরভাগ বাসিন্দাই দক্ষিণ এশীয় কম মজুরির শ্রমিক। ওই সময় এসব আবাসনে লকডাউন দেওয়া হয়েছিল।

সবশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বরে শ্রমিক আবাসনের বাসিন্দাসহ ১০ জনেরও বেশি মানুষের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পরে। এরপর থেকে আক্রান্তের আর কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

আবাসনের শ্রমিকদের বেশিরভাগই এখনও দ্বীপ রাষ্ট্রটির বাকি জনসংখ্যা থেকে বিচ্ছিন্ন। কেবল কাজের জন্য বাইরে যাওয়ার অনুমোদন আছে তাদের।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

আরব আমিরাতে ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজার করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২

কমিউনিটি নিউজ

বাংলাদেশে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি’র তালিকা প্রকাশ

কমিউনিটি নিউজ

মাল্টার জেলে আটক ১৫৬ বাংলাদেশির নামের তালিকা প্রকাশ

কমিউনিটি নিউজ

ভূমধ্যসাগরে ১৬৪ বাংলাদেশিসহ ৪৩৯ জন অভিবাসী উদ্ধার

কমিউনিটি নিউজ

মে মাসেও প্রবাসীদের আয়ের রেকর্ড

কমিউনিটি নিউজ

কর্মস্থলে ফিরতে চান মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

কমিউনিটি নিউজ