25 C
Dhaka
ডিসেম্বর ২, ২০২২

সিঙ্গাপুরে সড়কে প্রাণ গেলো বাংলাদেশি যুবকের

প্রবাস ডেস্ক: সিঙ্গাপুরের পান-দ্বীপ এক্সপ্রেসওয়েতে (পিআইই) যাত্রীবাহী একটি ট্রিপার ট্রাকের সঙ্গে একটি লরির ধাক্কায় বাংলাদেশি এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৬ অভিবাসী শ্রমিক। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত বাংলাদেশি শ্রমিকের নাম তোফাজ্জল হোসেন (৩৩)। বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়। দেশটির সিভিল ডিফেন্স ফোর্স বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানায়, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই ঘটনায় ৩৬ বছর বয়সী লরিচালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৬টায় জলান বাহারের বাইরে চাঙ্গি বিমানবন্দরের কাছে পান-দ্বীপ এক্সপ্রেসওয়েতে (পিআইই) দুর্ঘটনাটি ঘটে।

সংস্থাটি আরও জানায়, দুর্ঘটনার পর লরির পেছনের বগিতে দু’জন আটকা পড়েন। তাদের হাইড্রোলিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে উদ্ধার করা হয়। আহত লরির যাত্রীদের সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটাল ও এনজি টেং ফং জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, আহতরা সবাই বিদেশী শ্রমিক। তারা ব্রাইট এশিয়া কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কাজ করেন।

নিহত তোফাজ্জল হোসেনের মরদেহ দেশে পাঠানো হবে কি না— সে বিষয়ে সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করা হলে লেবার কাউন্সিলর আতাউর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়ে আমরা সিঙ্গাপুর পুলিশের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য পেয়েছি। ওই ঘটনায় আমরা অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের প্রবাসী কোনো ভাইয়ের এমন নির্মম মৃত্যু আশা করি না।

‘সিঙ্গাপুর পুলিশের পক্ষ থেকে অফিসিয়ালি আমাদের মেইল পাঠালে আমরা কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করব। এ বিষয়ে হাইকমিশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’

দুলছে পাকা ধানের শীষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাণীনগর (নওগাঁ) : নওগাঁর রাণীনগরে ৮ টি ইউনিয়নে বিস্তীর্ণ মাঠে দুলছে পাকা ধানের শীষ। যতদূর চোখ যায় তত দূর বাতাসে দোল খাচ্ছে ইরি বোরো পাকা ধানের সোনালী শীষ। এই দৃশ্য বলে দিচ্ছে রাণীনগরের প্রান্তীক জনপদের কৃষকদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলা বোরো ধানের ফসল।

চলতি মৌসুমে দীর্ঘ সময় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় সেচ সুবিধার উপরই নির্ভর করেছে পাকা ধানের বাম্পার ফলন। আবহাওয়া অনুকূল এবং শেষ সময়ে কোন ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা না দিলে ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন চাষিরা। ইতিমধ্যে স্বল্প পরিসরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হয়েছে। এবছরে ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষ হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি মাঠে সভা পাচ্ছে বারো ধানের সোনালী দৃশ্য। গত বছরের বন্য তাড়াতাড়ি জমি থেকে সরে যাওয়ার কারণে কিছুটা আগেই কৃষি অফিসের পরামর্শে মাঠ পর্যায় চাষীরা বোরো ধান রোপন করে। নিবিড় পরিচর্যা আর চাষীদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সেচ সুবিধা প্রদান করায় ধান ভালো হয়েছে।

কৃষি অফিস থেকে শেষ মহুর্তে ধানের ফলন বেশি এবং রোগবালাই যেন হানা দিতে না পারে সেই লক্ষ্যে উন্নত মানের কীটনাশক ছিটানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তার পরও কৃষি অফিস পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করছেন। মাঠ পর্যায়ে থাকা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা আইপিএম (সমন্বিত শষ্য ব্যবস্থাপনা) ও আইসিএম (সমন্বিত শষ্য ব্যবস্থাপনা) ক্লাবের মাধ্যমে আলোক ফাঁদ এবং বোরো ক্ষেতে কঞ্চি ও গাছের ডাল পুঁতে পোকা মাকড় নিধনে কৃষকদের মাঝে কৃষি কাজের নতুন নতুন কৌশল ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।

উপজেলার হরিশপুর গ্রামের আনোয়ার ও আয়েত আলী জানান, বিগত বছরের তুলনায় এবার ধানের আবাদ ভালো হয়েছে। ইতিমধ্যে আমার মাঠের সব ধান পেকে গেছে। দুই এক দিনের মধ্যে পুরো ধান কাটা শুরু হবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার শহিদুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে মাঠে মাঠে ইরি-বোরো ধান প্রায় পেকে গেছে। ধান কাটা শ্রমিকও আসতে শুরু করেছে। আশা করছি সামনে সপ্তাহ থেকে পুরো দমে ধান কাটা শুরু হবে।

কমিউনিটিনিউজ / এমএএইচ

আরও সংবাদ

আরব আমিরাতে ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজার করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২

কমিউনিটি নিউজ

বাংলাদেশে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি’র তালিকা প্রকাশ

কমিউনিটি নিউজ

মাল্টার জেলে আটক ১৫৬ বাংলাদেশির নামের তালিকা প্রকাশ

কমিউনিটি নিউজ

ভূমধ্যসাগরে ১৬৪ বাংলাদেশিসহ ৪৩৯ জন অভিবাসী উদ্ধার

কমিউনিটি নিউজ

মে মাসেও প্রবাসীদের আয়ের রেকর্ড

কমিউনিটি নিউজ

কর্মস্থলে ফিরতে চান মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

কমিউনিটি নিউজ