28 C
Dhaka
আগস্ট ১৩, ২০২২

বাড়তে পারে তাপমাত্রা

আবহাওয়া

আবহাওয়া ডেস্ক, কমিউনিটিনিউজ: কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখীসহ অল্প বৃষ্টি হয়েছে। আজও এক বিভাগের দুয়েক জায়গায় কালবৈশাখী হতে পারে। একটি অঞ্চলসহ এক বিভাগের ওপর দিয়ে তাপপ্রাবহ বয়ে যাচ্ছে। সামনের দিনগুলোয় দাবদাহ বিস্তার লাভ করতে পারে। বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর

রোববার (১১ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া দেশের অন্যান্য জায়গায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এটি অব্যাহত থাকতে পারে ও বিস্তার লাভ করতে পারে।

সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আগামী ৩ দিনে আরও তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আরো পড়ুন:

তাদের তথ্যমতে, শনিবার দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর গতকাল কেবল সিলেটে বৃষ্টিপাত হয়েছে ২ মিলিমিটার।

অন্যদিকে ঢাকার বাইরের বাতাসের গতি ও দিক: দক্ষিণপশ্চিম/পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় (০৬-১২) কি.মি.।

লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

আজ সকাল ৯ টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিলো ৯০%। ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬.১৯ মিনিটে। আগামীকাল ঢাকায় সূর্যোদয় ৫ টা ৪০ মিনিটে।

সিনপটিক অবস্থা: উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। দেশের স্বাভাবিক তাপমাত্র সামান্য  বাড়তে পারে এবং দেশের স্বাভাবিক লুঘুচাপ দক্ষিন বঙ্গপোসাগরে অবস্থান করেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

১২৬ বার ‘দিদি’ ডাকলেন মোদি

কমিউনিটিনিউজ ডেস্ক: শনিবার ভোট চতুর্থীতে রাজ্যে জোড়া সমাবেশ করলেন বিজেপি নেতা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শিলিগুড়িতে বক্তব্য রাখেন ৪৪ মিনিট আর কৃষ্ণনগরে ৩৪ মিনিট। সব মিলিয়ে ৭৮ মিনিট। আর তার মধ্যেই মোট ১২৬ বার ‘দিদি’ ডাক শোনা গেল মোদীর গলায়।

বিজেপি-র আরেক নেতা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ‘মমতা দিদি’ বলে সম্বোধন করেন। এরপরই মমতার বিরুদ্ধে সুর চড়ান তিনি। খবর আনন্দবাজারের

মোদি-র গলায় ‘দিদি’ ডাক শুনতে অবশ্য মানুষ অভ্যস্ত হয়ে গেছে। সেই ২০১৪ সাল থেকে বাংলায় রাজনৈতিক মঞ্চ পেলেই ‘দিদি’, ‘দিদি’ করেন মোদি। রাজ্যের বাইরে সভা থাকলেও বাংলার প্রসঙ্গ এলে ‘দিদি’, ‘দিদির দল’, ‘দিদির সরকার’ বলেন তিনি। কিন্ত বাংলা সফরে তার আক্রমণের মূল লক্ষ্যটাই যেহেতু মমতা, তাই ‘দিদি’ উচ্চারণ আরও বেড়ে যায়।

আরো পড়ুন:

‘বাংলাদেশ-ভারত রক্তের রাখিবন্ধনে আবদ্ধ

ক্ষুদ্র ও কুটি শিল্পে আরো দুটি প্রণোদনা দেবে সরকার

১০ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা চায় গার্মেন্ট ব্যবসায়ীরা

২০১৪ সালের লোকসভা, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে ‘দিদি’ ডাক শোনা গেলেও ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচার পর্বে নতুন সংযোজন হয় নানা সুরে ‘দিদি-ই-ই-ই’ বলা। তবে ২০২১-এর নির্বাচনি লড়াইয়ে বাংলায় সেই ডাক ও সুর যেন নতুন মাত্রা পেয়েছে। আবার প্রতি দফায় ভোটগ্রহণ পর্ব যত এগোচ্ছে ততই যেন বক্তৃতায় ‘দিদি’ ডাক বাড়ছে। চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণের দিন যেন সেটা সবচেয়ে বেশি শোনা গেল।

শনিবার দুই বক্তব্যে কত বার দিদি বলেছেন মোদি তা গুণে দেখেছে আনন্দবাজার। দেখা গেছে, শিলিগুড়িতে ৪৪ মিনিটে ৬৮ বার আর কৃষ্ণনগরে ৩৪ মিনিটে ৫৮ বার দিদি ডেকেছেন তিনি।

মোদি-র এমন ডাক নিয়ে কটাক্ষ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের এক জনসভায় দেওয়া ভাষণে মমতা বলেন, “উনি রোজ ‘দিদি’, ‘ও দিদি’ বলে ব্যঙ্গ করছেন। আমার তাতে কোনও সমস্যা নেই। আমার গুরুত্ব রয়েছে বলেই এসব করছেন।’’

মমতা নিজে কোনও সমস্যা নেই বলে উল্লেখ করলেও দলের নারী নেত্রীরা এ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। শশী পাঁজা, জুন মালিয়া এবং অনন্যা চক্রবর্তীর মতো নেত্রীরা মোদির এমন সম্বোধনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীকে এমন ভঙ্গিতে ডেকে আদতে বাংলার নারীদের অসম্মান করছেন প্রধানমন্ত্রী। মেয়েদের টিপ্পনী কাটতে এই ধরনের বাচনভঙ্গি ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে মোদির মুখে খুব বেশি শোনা যাচ্ছে যে শব্দগুলো তার মধ্যে কাটমানি, তোলাবাজি, সিন্ডিকেট, তুষ্টিকরণ প্রভৃতি থাকলেও সবকিছুকে ছাপিয়ে যাচ্ছে ‘দিদি’। শুধু ডাকাই নয়, নিত্য নতুন সুর ও ছন্দও আনছেন মোদি।

শনিবার যেমন একই বাক্যে তিন বার ‘দিদি’ বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ‘দিদি, ও-দিদি, আদরণীয় দিদি’ বলে নানা অভিযোগ তুলেছেন বা প্রশ্ন করেছেন।

৩০ মিনিটের বক্তব্যে যদি ৫০ বার ‘দিদি’ বলেন তবে তার মধ্যে বার দশেক প্রথম ১০ মিনিটে। শেষ ১০ মিনিটেও বার দশেক। মাঝের সময়টা যেন ধ্রুপদী সঙ্গীতের ভাষায় ‘ঝালা’-য় ওঠে ‘দিদি’ ডাক। ওই ১০ মিনিটে বার তিরিশেক ‘দিদি’ ডেকে নেন।

মোদি-র বক্তব্য শুনে আরও একটা বিষয় স্পষ্ট যে, তিনি এই ‘দিদি’ বলায় বেশ মজাই পান। আর হাততালিও পান। কর্মী-সমর্থকদের সেই উচ্ছ্বাসও যে তিনি পছন্দ করছেন সেটাও বোঝা যায় শনিবারের দুই ভাষণে। যত বার তিনি সুর কেটে ‘দিদি, ও-দিদি, আদরণীয় দিদি’ বলেছেন তত বারই বক্তৃতায় লম্বা যতি এনেছেন। কথা থামিয়ে জনতাকে তালি দেওয়ার সময় দিয়েছেন। যেখানে থেমেছিলেন ফের যেন সেখান থেকেই শুরু করেন।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

আগামী ৫ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে

কমিউনিটি নিউজ

সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

কমিউনিটি নিউজ

সমূদ্রবন্দরে ৩ নাম্বার সতর্কতা সংকেত, নিন্মাঞ্চল প্লাবিতের শঙ্কা

কমিউনিটি নিউজ

আজ ৩ বিভাগে ভারী বর্ষণ

কমিউনিটি নিউজ

সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস

কমিউনিটি নিউজ

আগামীকাল ৮ অঞ্চলে বৃষ্টি

কমিউনিটি নিউজ