33 C
Dhaka
আগস্ট ৯, ২০২২

কলেজ টিসির আবেদনের সময় বাড়লো

কমিউনিটিনিউজ ডেস্ক:  একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কলেজ টিসির অনলাইন আবেদনের সময় বাড়িয়ে আগামী ২০ মে পর্যন্ত করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অনলাইন টিসি কার্যক্রমের সময় আগামী ২০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হলো। ২০ মের পর অনলাইনে কলেজ টিসি কার্যক্রমের সময় আর বাড়ানো হবে না বলেও জানিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

আরো পড়ুন:

 নতুন কারিকুলামে দুই মন্ত্রণালয়ে চরম দ্বন্দ্ব

নাটোরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে কলেজ ছাত্রীর অনশন

রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষকে বিসিএস ক্লাবের বিদায় সংবর্ধনা

 এর আগে চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের বোর্ড ও কলেজ টিসির আবেদন গ্রহণ শুরু হয়।

যেভাবে আবেদন করবেন
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (https://dhakaeducationboard.gov.bd/) গিয়ে ই-টিসি বাটনে ক্লিক করে আবেদন পূরণ করে তা জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্যই শিক্ষার্থীর অধ্যয়নরত এবং ই-টিসির মাধ্যমে কাঙ্খিত উভয় কলেজে পঠিত বিষয়গুলো একই হতে হবে।

আবেদন জমা হওয়ার পর শিক্ষার্থীর দেওয়া মোবাইল নম্বরে গোপনীয় কোডসহ এসএমএস পাঠানো হবে। এ কোড দিয়ে শিক্ষার্থী পরে তার আবেদন আপডেট করতে পারবেন।

অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার পর সোনালী ব্যাংকের যেকোনো অনলাইন শাখা থেকে সোনালী সেবার স্লিপের মাধ্যমে ই-টিসি বাবদ ৭০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। শিক্ষার্থী সঠিকভাবে আবেদন সাবমিট করলে অধ্যয়নতরত কলেজ অর্থাৎ প্রথম কলেজ একটি এসএমএসপাবে। তখন ওই কলেজ বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘ওইএমএস’ এর মাধ্যমে লগইন করে ‘ট্রান্সফার সার্টিফিকেট’ অপশনে ক্লিক করে টিসি আবেদন দেখতে পারবে। তখন ওই প্রতিষ্ঠান আবেদনটি ফরোয়ার্ড বা রিজেক্ট করতে পারবে।

প্রথম কলেজ আবেদন ফরোয়ার্ড করার পর টিসির জন্য আবেদন করা অর্থাৎ দ্বিতীয় কলেজ একইভাবে আবেদনটি ফরোয়ার্ড বা রিজেক্ট করতে পারবে। দ্বিতীয় কলেজ আবেদনটি ফরোয়ার্ড করলে শিক্ষার্থী একটি এসএমএস পাবে। তখন সোনালী সেবার মাধ্যমে ই-টিসি ফি জমা দিতে হবে। সোনালী সেবার এ স্লিপ বোর্ডে জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই, এটি শিক্ষার্থীকে সংরক্ষণ করতে হবে।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

বাসায় তারাবি পড়া যাবে কি?

  • মুফতি আসিম নাজিব

রমজানে এশার নামাজের পর যে ২০ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদার নামাজ আদায় করা হয়, সেটাকে তারাবির নামাজ বলে। পুরুষদের জন্য তারাবির নামাজ মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করা সুন্নত।

নারীদের জন্যও ২০ রাকাত তারাবি সুন্নত। তারাবির নামাজে কোরআন শরিফ খতম করা সুন্নত আমল। তারাবির নামাজের সময় হলো- এশার নামাজের পর থেকে ফজরের নামাজের সময়ের আগ পর্যন্ত।

বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের ছড়াছড়ির কারণে গতবারের মতো এইবারও অনেকে ঘরে, বাসায় কিংবা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে তারাবির নামাজ আদায় করবেন। কেউ পরিবারের সঙ্গে তারাবি পড়লে — তাদের নামাজের জামাত ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আমাদের পাঠকদের জন্য আমাদের আয়োজন।

ঘরে তারাবি ও মাহরামদের নিয়ে জামাত
শরিয়ত অনুমোদিত কোনো কারণে যদি কোনো পুরুষ মসজিদে যেতে না পারে, তাহলে ঘরের মাহরাম নারীদের সঙ্গে নিয়ে জামাতে নামাজ পড়া তার জন্য বৈধ। এ ক্ষেত্রে সবাই জামাতের সওয়াব পাবে। কিন্তু গায়রে মাহরাম নারীদের নিয়ে ঘরে জামাতে নামাজ আদায় সমীচীন নয়।

  • তবুও গায়রে মাহরাম নারীরা যদি ঘরে নামাজের জামাতে শরিক হতে চায়, অবশ্যই তারা পর্দার আড়ালে থেকে জামাতে অংশগ্রহণ করবে। পর্দার বিধান লঙ্ঘন করে জামাত করা বৈধ নয়। (খুলাসাতুল ফাতাওয়া : ১/২২৮; আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল : ২/২২৭)
    এভাবে নামাজ পড়তে গেলে জামাতে দাঁড়ানোর পদ্ধতি হলো— এক বা একাধিক নারী পেছনের সারিতে দাঁড়াবে। (রদ্দুল মুহতার : ১/৫৬৬; আহসানুল ফাতাওয়া : ৩/২৯৯)

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আমি নবী করিম (সা.)-এর সঙ্গে ঘরে জামাতে নামাজ পড়েছি, একবার আমি নবী করিম (সা.)-এর পাশে দাঁড়িয়েছি, আর আয়েশা (রা.) আমাদের পেছনে দাঁড়িয়ে আমাদের সঙ্গে জামাতে শরিক হয়েছিলেন। (নাসাঈ, হাদিস : ৮০৩)

স্বামী-স্ত্রীর জামাতের বিধান-পদ্ধতি
স্বামী-স্ত্রী উভয়ে জামাতে নামাজ আদায় করতে পারবে। তবে স্ত্রী স্বামীর পাশাপাশি না দাঁড়িয়ে পেছনে দাঁড়াবে। এতটুকু সম্ভব না হলে, ডান পাশে একটু পেছনে সরে দাঁড়ালেও নামাজ হয়ে যাবে। তবে স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে সমান হয়ে দাঁড়াতে পারবে না, কারণ এভাবে দাঁড়ালে উভয়ের নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে। (রদ্দুল মুহতার : ১/৫৭২)

নাবালেগ ও নারীদের কাতারের অবস্থান
সাধারণত নামাজের জামাতে কাতারবদ্ধ হওয়ার সুন্নত পদ্ধতি হলো, প্রথমে বালেগ পুরুষ দাঁড়াবে, এরপর নাবালেগ বা অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালক দাঁড়াবে। যদি নারীরা জামাতে অংশগ্রহণ করে তারা সবার পেছনে দাঁড়াবে। (সুনানুল বাইহাকি, হাদিস নং : ৫১৬৬; হেদায়া : ১/২৩৯)

ভিন্ন ভিন্ন বা একাকী নামাজ পড়লে…

নারী-পুরুষ নিজেরা একাকী কিংবা ভিন্ন ভিন্ন নামাজ পড়ার সময় বরাবর বা সামনে-পেছনে দাঁড়াতে পারবে। এ ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সামনে-পেছনে বা সমানভাবে দাঁড়ানোর উল্লেখিত বিধান প্রযোজ্য নয়। একে অপরের সামনে-পেছনে থাকলে নামাজের শুদ্ধতায় কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ, প্রত্যেকে আলাদা নামাজ পড়ছে কিংবা আলাদা আলাদা জামাতে অংশগ্রহণ করেছে। তাই আগেরি উল্লেখিত বিধান এখানে প্রযোজ্য নয়। (মাবসুতে সারাখসি : ১/১৮৫)

শুধু নারীদের জামাত বৈধ নয়

  • ঘরে বা অন্য কোথাও নারীরা একত্রিত হয়ে কোনো নারীকে ইমাম বানিয়ে নামাজের জামাত করা মাকরূহে তাহরিমি তথা নাজায়েজ। যদিও জামাতে আদায়কৃত ওই নামাজ শুদ্ধ হয়ে যাবে, তবে তারা সবাই গোনাহগার হবে। তারপরও যদি নারীরা আলাদা জামাত করে, তাহলে যিনি ইমাম হবেন, তিনি কাতারে সবার সামনে দাঁড়াবেন না; বরং প্রথম কাতারের মাঝখানে দাঁড়াবেন। (তাবঈনুল হাকায়েক : ১/১৩৫, ফাতাওয়া দারুল উলুম : ৩/৪৩)

প্রসঙ্গত রাসুল (সা.)-এর জামানায় তার স্ত্রীগণ একত্রিত হয়ে জামাতে নামাজ আদায় করার কোনো প্রমাণ হাদিস শরিফে পাওয়া যায় না। আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘কোনো নারী জামাতের ইমামতি করতে পারবে না। ’ অনুরূপ তাবেঈ ইবরাহিম নাখয়ি, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, রবিআ ও ইবনে শিহাব জুহরি (রহ.) প্রমুখ থেকে তা বর্ণিত হয়েছে। (আলমুদাওয়ানাতুল কোবরা : ১/১৭৮) প্রখ্যাত হাদিসবিশারদ ও ফিকাবিদ শিব্বির আহমদ উসমানি (রহ.) বলেন, হাদিসটির সূত্র বিশুদ্ধ। (ইলাউস সুনান : ৩/১৩০১)

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফি এবারও বাড়লো

কমিউনিটি নিউজ

এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

কমিউনিটি নিউজ

ফের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা

কমিউনিটি নিউজ

রাজশাহীতে এবারও এগিয়ে মেয়েরাই

কমিউনিটি নিউজ

৩০ দিনেই এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল

কমিউনিটি নিউজ

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ ডিসেম্বর

কমিউনিটি নিউজ