33 C
Dhaka
আগস্ট ১২, ২০২২

গুচ্ছভর্তিতে বাড়ছে না সময়

কমিউনিটিনিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তির প্রাথমিক আবেদন কার্যক্রম আগামী ১৫ এপ্রিল শেষ হচ্ছে।  আগামী ২৩ এপ্রিল প্রাথমিক আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে। এরপর ২৪ এপ্রিল থেকে চূড়ান্ত আবেদন কার্যক্রম শুরু করা হবে। তবে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যেও এ সময় আর বাড়ানো হবে না বলে জানা গেছে।  গুচ্ছভর্তিতে রোববার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ক টেকনিক্যাল সাব-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর এ তথ্য জানান।

গত ১ এপ্রিল দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে স্নাতক শ্রেণিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শুরু হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষাবিষয়ক টেকনিক্যাল সাব-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর রোববার জাগো নিউজকে বলেন, অনলাইন আবেদন শুরু হওয়ার পর ওয়েবসাইটে তেমন কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। রোববার বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ২ লাখ ৯২ হাজার ৮২৩টি আবেদন জমা হয়েছে। তার মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগে ১ লাখ ৭১ হাজার ২৫৬টি, ‘বি’ ইউনিটে বাণিজ্য বিভাগে ৮০ হাজার ৬২৯টি এবং ‘সি’ ইউনিটিতে মানবিকে ৪০ হাজার ৯৩৭টি আবেদন এসেছে।

টেকনিক্যাল সাব-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, কোনো ধরনের অভিযোগ এলে সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমাধান করা হচ্ছে। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগকারীদের সমস্যা সমাধান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে আর্থিক সংকট তৈরি হওয়ায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে গেছে। অনেকে আবার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আবেদনের সংখ্যা কিছুটা কম মনে হচ্ছে।

তবে গুচ্ছ ভর্তিতে আবেদনের সময় আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়ে অধ্যাপক ড. মুনাজ বলেন, ২৪ এপ্রিল চূড়ান্ত আবেদন কার্যক্রম শুরু করা হবে। এ ধাপে শিক্ষার্থীদের ছবি, কেন্দ্র চয়েস, আবেদন ফি প্রদান করতে হবে।

এছাড়া পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে চলতি সপ্তাহে গুচ্ছ কমিটির বৈঠক হওয়ায় কথা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

কমিউনিটিনিউজ / এমএএইচ

রাজশাহীতে বাজারমুখী মানুষ, বেড়েছে পণ্যের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: লকডাউনের খবরে বিভিন্ন স্থানে নিত্যপণ্য কিনে মজুদ করতে গত দুদিন বাজারে মানুষের ভিড়। এরমধ্যে তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। কঠোর লকডাউন এর মধ্যে সামনে রমজানে জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়বে-এমন আরো অনেক কথার সঙ্গেই লকডাউনের ঝামেলা এড়াতে নগরীতে বাজারমুখী হচ্ছে নগরবাসী। বাজারে ভিড় বাড়ায় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা। এতে বিপাকে পড়েছেন স্বল্প আয়ের খেটে খাওয়া মানুষজন।

আজ রোববার (১১ এপ্রিল) নগরীর সাহেব বাজার, কোর্ট বাজার, নিউ মার্কেট, গণকপাড়া ঘুরে দেখা যায়, নগরীর সাহেব বাজার আরডিএ মার্কেটে ক্রেতা সমাগম সবচেয়ে বেশি।

আরো পড়ুন:

সামনে কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে দেশ। ঈদের আগে হয়তো আর লকডাউন ছুটছে না। গতবার ঈদের কেনাকাটাও করতে পারেনি।
ঈদ কেন্দ্রিক বেচাকেনার মতোই বাজারগুলোতে মানুষের ভিড় ছিলো। নগরীর অন্যান্য জায়গায় যানবাহন চলাচল কিছুটা কম থাকলে সাহেব বাজার এলাকায় ক্ষুদ্র যানজটের সৃষ্টি হতে দেখা গেছে। যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক পুলিশকে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে।

গত দিনের মতো নগরীর শপিংমলগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানতে আগ্রহ দেখা গেলেও মার্কেটের দোকানগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিতই ছিলো। অথচ শর্ত সাপেক্ষে দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলো সরকার। কিন্তু সেই শর্তের বাস্তবায়ন খুব কমই দেখা গেছে।

ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দৈনিক ভিত্তিতে আয় করে খাদ্যসামগ্রী ক্রয় করে থাকেন। লকডাউনের কথা শুনে শনিবার ও রোববার তারা খাদ্যসামগ্রী কেনায় হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। এদের মধ্যে যাদের আয় ভালো  আবার কারো পরিবারের সদস্য থাকেন প্রবাসে। এই ধরণের পরিবারের মানুষ টানা এক মাসের হিসাব করে খাদ্যসামগ্রী কিনে মজুদ করে রাখছেন।

মার্কেট ব্যবসায়ী মঞ্জুর আলি বলেন, লকডাউনের কারণে কয়েকদিন তেমন কোন ক্রেতা ছিলো। কিন্তু সামনে কড়াকড়ি লকডাউনের খবরে ক্রেতা বেড়েছে। গতকাল থেকেই মূলত ক্রেতা বেশি। তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন সরকারি নির্দেশনানুযায়ী মাস্কসহ সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার। কিন্তু কিছুক্ষেত্রে হয়তো স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত হচ্ছে না।

নগরীর কাঁচাবাজারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের ভিড় ছিলো। মাস্টারপাড়া ও সাহেব বাজার কাঁচাবাজারে পা রাখার জায়গা ছিলো না। ভ্যাপসা গরমের মধ্যে গাদাগাদি করেই বাজার করতে দেখা গেছে মানুষকে।

এ বিষয়ে রাজশাহী ব্যবসায়ী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার আলী জানিয়েছিলেন, সামনে কড়াকড়ি লকডাউন আসন এখন খবরেরই ক্রেতা বাড়ছে। আর এ কারণে স্বাস্থ্যবিধি অনেক ক্ষেত্রে নিশ্চিত হচ্ছেনা। এক্ষেত্রে সার্বক্ষনিক মনিটরিংয়ের দাবি জানান তিনি।

এদিকে, লকডাউনের গত দিনগুলোর মতোই দিনের বেলা বাজারগুলোতে পুলিশের মনিটরিং কম ছিলো। পুলিশের উপস্থিতি থাকলে সেখানে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত হচ্ছে। কিন্তু তারা চলে গেলেই উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি।

কমিউনিটিনিউজ / এমএএইচ

আরও সংবাদ

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফি এবারও বাড়লো

কমিউনিটি নিউজ

এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

কমিউনিটি নিউজ

ফের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা

কমিউনিটি নিউজ

রাজশাহীতে এবারও এগিয়ে মেয়েরাই

কমিউনিটি নিউজ

৩০ দিনেই এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল

কমিউনিটি নিউজ

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ ডিসেম্বর

কমিউনিটি নিউজ