30 C
Dhaka
আগস্ট ২, ২০২১

ভুয়া করোনা সার্টিফিকেট বিক্রি, আটক ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: অর্থের বিনিময়ে ভুয়া করোনা নেগিটিভ সার্টিফিকেট বিক্রির অভিযোগে  তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার (৭ জুলাই ২০২১) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার ( ৮জুলাই ২০২১) দুপুরে রাজশাহী নগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়েসংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার আরেফিন জুয়েল।

আরেফিন জুয়েল বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ভুয়া করোনা পরীক্ষার সার্টিফিকেট বিক্রির অভিযোগে হেতেমখা কলাবাগান এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরা হলেন, এই জালিয়াত চক্রের মূলহোতা তারেক আহসান (৪১), তার দুই সহযোগি রফিকুর ইসলাম (৪২) ও তার স্ত্রী মামসুন্নাহার শিখা (৩৮)।

তিনি বলেন, যারা করোনা পরীক্ষা আসলে তাদের মোবাইল নাম্বার নিয়ে নেয়। এর পর তারা যোগাযোগ করে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট ব্যবস্থা করে দিতে চায়। এ পর্যন্ত তারা ৩০টি সার্টিফিকেট বিক্রির কথা স্বীকার করেছে ।

তিন থেকে ১৫ হাজার বিনিময়ে বিভিন্ন চাকুরীজীবী ও বিদেশগামীদের কাছে করোনা পরীক্ষার ভূয়া সার্টিফিকেট তৈরি করে বিক্রি করা হয়। সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ঘরে তারা এই জালিয়াতি চক্র গড়ে তোলে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

সেখানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার সার্টিফিকেট বিক্রি চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।এছাড়া গ্রেপ্তারকৃতদের সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়।

তিনি আরো জানান, ভুক্তভোগী একজন অভিযোগকারী ও একটি গোয়েন্দা শাখার অভিযোগের ভিত্তিতে তারা তিন ধরে অভিযান চালাচ্ছিলেন। এ চক্রটিকে নগরীর হেঁতেমখা কলাবাগান এলাকা থেকে আটক করা হয়। এরা তিন থেকে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে বিদেশগামী ও চাকুরিজীবীদের ভূয়া রিপোর্ট দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করতো।

রাজশাহী সিভিল সার্জন কার্যালয়কে ঘিরে এ চক্র প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করেছিলো। এ চক্রের সঙ্গে সিভিল সার্জন অফিসের অসাধু কর্মচারীযুক্ত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

প্রতারক চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান, গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার আরেফিন জুয়েল। এ পর্যন্ত প্রতারক চক্র ৩০ থেকে ৪০ জনের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিকার করেছে। অভিযানে এদের থেকে প্রায় ১০০ জনের করোনা রির্পোট জব্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অফিস সহকারী তারেক আহসান বক্ষব্যাধি হাসপাতালের গাড়িচালক রফিকুলের কাছে বিদেশগামী ব্যক্তিদের করোনা টেস্টের তথ্য সরবরাহ করতেন। এর পর রফিকুলের স্ত্রী শিখা টেস্টের ফরমে উল্লেখ করা মোবাইল নম্বরে ফোন দিতেন।

ডিবি কার্যালয়ে গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে রফিকুলের স্ত্রী শিখা জানান, ফোন করে টেস্টের জন্য স্যাম্পল দেওয়া ব্যক্তিদের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানাতেন তিনি। এর পর তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ দেওয়া হবে এমন কথা বলে যোগাযোগ করতে বলতেন তারা।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃত তিনজনসহ আরও অজ্ঞাত তিনজনের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক মামলা করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আর এ প্রতারকচক্রের আরও সাত থেকে আটজন সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

দেশে মৃতের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়াল

কমিউনিটি নিউজ

ভাড়া পাচ্ছে না ‘গরিবের অ্যাম্বুলেন্স’

কমিউনিটি নিউজ

মাছ কেটে ৩০ বছর সংসার চালান তুজিন

কমিউনিটি নিউজ

ট্রাক মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে চালক নিহত

কমিউনিটি নিউজ

২৪ ঘণ্টায় করোনায় সর্বোচ্চ প্রাণ হারালেন ২৫৮ জন

কমিউনিটি নিউজ

দেশে সর্বোচ্চ ২৪৭ জনের মৃত্যু

কমিউনিটি নিউজ