28 C
Dhaka
আগস্ট ১৩, ২০২২

পাঁচ মিনিটে ডিএসই হারালো ৬০ পয়েন্ট

কমিউনিটিনিউজ ডেস্ক: টানা ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় থাকায় লকডাউন শুরুর আগের দিন যতটুকু কমেছিল, তা আজ লেনদেনের প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসই প্রধান মূল্যসূচক হারিয়েছে ৬০ পয়েন্ট। ৬৬ কোম্পানির শেয়ার দামের সর্বনিম্ন সীমা বা ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে দেয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বলে বলে জানিয়েছেন পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ।

বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল ২০২১) লেনদেন শুরু হতেই প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) বড় দরপতন দেখা দিয়েছে।

এর আগে সরকার ঘোষিত ‘কঠোর বিধিনিষেধ’-এর মধ্যে শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকের বড় উত্থান হয়। বিধিনিষেধ আরোপের প্রথম তিন দিনে ডিএসইর প্রধান সূচক প্রায় আড়াইশ পয়েন্ট বেড়ে যায়। ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

এ পরিস্থিতিতে বুধবার কমিশন সভা করে তালিকাভুক্ত ৬৬ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইসের নির্দেশনা প্রত্যাহার করে নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে এবং শেয়ারবাজারের উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে এই কোম্পানিগুলোর ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়া হয়েছে বলে জানায় বিএসইসি।

বিএসইসির এই সিদ্ধান্তের পর রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা কড়া সমালোচনা করতে থাকেন। শেয়ারবাজার সংক্রান্ত বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে এসব বিনিয়োগকারীরা পোস্ট দেন বিএসইসির এই সিদ্ধান্তের কারণে বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হবে।

এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২২২টির। আর ২১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৩৫ কোটি ৫৮ টাকা।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৫ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন হয়েছে ৫ কোটি ৮ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ১০৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৮টির, কমেছে ৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টির।

কমিউনিটিনিউজ / এমএএইচ

আইআরএসের ট্যাক্স অডিট যেভাবে এড়াবেন

কমিউনিটিনিউজ ডেস্ক: অবাক হলেও সত্য যে বেশিরভাগ মার্কিন কর পরিশোধকারী ইতোমধ্যে তাদের ট্যাক্স ফাইল করেছেন এবং অনেকের কাছে আইআরএস (ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিস) থেকে প্রদত্ত অর্থ বা ট্যাক্স রিফান্ডের অর্থ তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। আবার অনেকে কয়েক মাস আগে ট্যাক্স ফাইল করার পরও তাদের হাতে সে অর্থ এসে পৌঁছায়নি। ফলে অডিটের চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। আইআরএস চলতি বছরের ট্যাক্স ফাইল করার শেষ দিন নির্ধারণ করেছে ১৭ মে।

আইআরএসের অডিটে পড়লে কর পরিশোধকারীকে যে কত ঝামেলায় পড়তে হয় তা একমাত্র ভুক্তভোগীই জানেন। জেনে নেওয়া যাক আইআরএস কেন সাধারণত অডিট করে থাকে। এগুলো জানা থাকলেই এই অডিট এড়িয়ে চলা সম্ভব।

এক. আইআরএসের ডিআইএফ নামে একটি কম্পিউটার পদ্ধতি রয়েছে যা জনগণের ট্যাক্সের রিটার্ন অনিয়ম শনাক্ত করতে পারে। ডিআইএফ-এর ডিজাইন ঠিক সেভাবেই করা হয়েছে। ডিআইএফ আইআরএস সিস্টেমে আসা সব ট্যাক্স রিটার্ন স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান করে। ডিআইএফ মূলত ট্যাক্স ফাইলের অনিয়ম সন্ধান করে। এটি যে তিনটি অনিয়ম সন্ধান করে সেগুলো হচ্ছে— ডিপেন্ডেন্ট, ডিডাকশান এবং ক্রেডিট। ডিআইএফে কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে সেগুলো আইআরএসের মানব এজেন্ট দ্বারা রিভিউ বা অডিট হয়।

দুই. আরেকটি কারণে ট্যাক্স ফাইল অডিট হতে পারে- যদি কেউ আয়ের উৎস বাদ দেন বা যা আয় তার চেয়ে কম আয়ের প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। কেউ যদি কোনো ফরম ফাইল করতে ভুলে যান বা অনিচ্ছাকৃতভাবে আয়ের একটি ছোট অংশ না দেখান, তবে আইআরএস সাধারণত অডিট করে না। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে আয়ের উৎস বাদ দেওয়া হলে অডিট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

তিন. চাকরিক্ষেত্র থেকে W-2 ফরমের একটি অনুলিপি করদাতার কাছে এবং আরেকটি অনুলিপি আইআরএসের কাছে যায়। স্বতন্ত্র ঠিকাদার এবং ফ্রিল্যান্সারদের আয় ৬শ ডলারের বেশি হলে তারা 1099-MISC ফরম পান এবং আইআরএস এটির একটি অনুলিপিও পায়। যদি আপনার কোনো লভ্যাংশের আয় থাকে তাহলে 1099-INT বা 1099-DIV একটি কপি আপনি এবং আরেকটি কপি আইআরএস পাবে। আয়ের কোনো অংশ ক্যাসিনো বা লটারি জেতা থেকে এলে W-2G ফরম পাবেন। এর একটি কপি আইআরএস পাবে। এসব তথ্য আইআরএসের ডিআইএফে জমা হয়। সুতরাং আয় কম দেখালে ধরা পড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

চার. কথায় আছে যার যত টাকা তার তত মাথা ব্যথা। আইআরএসের ক্ষেত্রেও তাই। উচ্চ-আয়ের উপার্জনকারীদের ট্যাক্স অডিটের সম্ভাবনা অনেক বেশি। করদাতার আয় পাঁচ লাখ ডলার হলে সে সম্ভাবনা দ্বিগুণ হয় এবং করদাতার আয় পাঁচ মিলিয়ন ডলার হলে সেই সম্ভাবনা চার থেকে সাত গুণ বেশি হয়ে থাকে।

পাঁচ. ব্যাংক সিকিওরিসি আইনের অধীনে যদি কেউ ১০ হাজার ডলারের বেশি নগদ লেনদেন করে তাহলে আইআরএস এবং অন্যান্য ফেডারেল এজেন্সিগুলোকে জানাতে হবে। এ আইনটি অবৈধ কার্যক্রম ঠেকাতে চালু করা হয়েছিল। এক্ষেত্রেও নগদ লেনদেন যদি আয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়ে থাকে, তাহলে অডিট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সেজন্য ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করার সময় কিভাবে এবং কেন এই অর্থ পাওয়া গেছে তা দেখাতে হবে। নতুবা অডিটের আওতায় পড়তে হবে।

তাছাড়া কেউ যদি প্রচুর আইটেমাইজ ডিডাকশান বা আইটেমযুক্ত ছাড় দাবি করেন বা নিজস্ব ছোট ব্যবসা আছে দাবি করেন তাহলেও অডিটের সম্ভাবনা বেশি থাকে। আর দেশের বাইরে কারও নামে যদি কোনো অর্থ বা সম্পত্তি থাকে তাহলেও অডিট হতে পারে।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

বিশ্ববাজারে ফের কমলো গমের দাম

কমিউনিটি নিউজ

ঢাকায় ৩০ হাজার লিটার পাম ও সয়াবিন তেল উদ্ধার

কমিউনিটি নিউজ

এখানে কোনও সিন্ডিকেট নেই, দাবি মিলারদের

কমিউনিটি নিউজ

করোনার প্রণোদনার টাকা কোথায় গেল!

কমিউনিটি নিউজ

প্রবাসী ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

কমিউনিটি নিউজ

পেঁয়াজের ঘাটতি দেখা দিলে নেদারল্যান্ডস থেকে আমদানি : কৃষিমন্ত্রী

কমিউনিটি নিউজ