27 C
Dhaka
সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১

রাজশাহীতে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে নদীর মাছ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর বাজারে বেড়েছে নদী ও দেশি প্রজাতির মাছ বাড়তি দামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। সেই সাথে সাথে সাগরে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশের দেখা মিললেও ভরা মৌসুমে এক সপ্তাহেও কমেনি ইলিশের দাম।

দেশি ও নদীর মাছের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ২০০ শ’ থেকে ২৫০ টাকা। এর সাথে বিক্রেতারা ইলিশের দাম হাঁকাচ্ছেন ওজনভেদে ৮০০ শ’ থেকে ১৪৫০ টাকা। শুক্রবার (০৩ সেপ্টেম্বর) মাছের বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের vউপচেপড়া ভিড় ছিলো।

অন্যদিকে, নিত্য প্রয়োজনীয় বাজারে কমেনি তেল, চিনি ও আটার দাম দাম। সবজির বাজারে এসেছে নতুন শিম ও ফুলকপি।

তবে দাম চড়া! শিম কেজিপ্রতি ১২০ টাকা, ফুলকপি ৮০ টাকা। আর অন্যনো সবজি গুলো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়াও অন্যনো মুদি সামগ্রী, মাংস ও চালের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। শুক্রবার রাজশাহীর সাহেব বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কেজি প্রতি বড় ইলিশ দাম হাঁকা হচ্ছে ১৪৫০ টাকা পর্যন্ত।

এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম হাঁকা হচ্ছে এক হাজার থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। আর সাড়ে ৪শ’ থেকে ৫শ’ গ্রামের ইলিশের দাম সাড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি।

অন্যদিকে বাজারে রুই মাছে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা, কাতল ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা, বোয়াল ৪০০ থেকে এক হাজার টাকা, সিলভার ১২০ থেকে ১৬০ টাকা এছাড়াও অন্যনো সকল প্রজাতির মাছে দাম বিক্রি ১০০ শ’ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত।

মাছ কিনতে আসা ক্রেতা শামসুল আলম জানান, ইলিশ ও নদীর মাছের দাম অনেক বেশি।

ভালো ইলিশ গুলো ১২০০শ’ টাকার উপরে। চিৎড়ির দামও এমন। ভরা মৌসুমেও মাছের এমন দাম এটা খুবই দুঃখ জনক বিষয়।

মাছ বিক্রেতা একরামুল জানান, নদী ও দেশি জাতের মাছের আমদানি কমরাজশাহীতে বাড়তি দামে সাথে সাথে ক্রেতাদের চাহিদাও বেশি তাই দামও বেশি।

ভোলা মাছ ভান্ডারের বিক্রেতা ভোলা জানান, আমদানি বেশি থাকলেও পাইকারিরাজশাহীতে বাড়তি দামে ভাবে ইলিশের দাম বেশি তাই আমাদের বেশি দামেই ইলিশ বিক্রি করতে হচ্ছে। এদিকে, মুদি সামগ্রীর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে কেজি দরে চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭৮ টাকা, তেল ১৩০ টাকা, আটা ৩৫ টাকা।

৫ লিটারের রুপচাঁদা তেলের বোতল ৬৯৫ টাকা, তীর ৫ লিটারের বোতল ৬৭৫ টাকা, ফ্রেশ ৬৭০ টাকা, বসুন্ধরা ৬৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই তিনটি পণ্যে বাদে বাকি পণ্যে গুলোর দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সাহেব বাজারের মুদী দোকানি শাহ্ আলম জানান, পাইকারি ভাবেই তেল, চিনি ও আটার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে গত সপ্তাহ থেকে।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে মুরগির দাম বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা এবং পাকিস্তানি কক বা সোনালী মুরগির দাম ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এর সঙ্গে ডজনে ডিমের দাম বেড়েছে ১০ টাকা।

মুরগি ও ডিমের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে সবজির দাম। তবে শীতের আগাম সবজি শিম ও ফুলকপির সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে গাজর ও টমেটো। শিম কিনতে ক্রেতাদের কেজিতে ১৬০-২০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। আর ছোট একটা ফুলকপি কিনতে লাগছে ৩০-৫০ টাকা। টমেটো ও গাজর কিনতেও ক্রেতাদের কেজিতে ১০০ টাকার ওপরে গুনতে হচ্ছে।

আরও সংবাদ

 মঙ্গলবারের পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার পাইকারি দাম

কমিউনিটি নিউজ

রাজশাহীতে শিক্ষিকার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

কমিউনিটি নিউজ

 সোমবারের পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার পাইকারি দাম

কমিউনিটি নিউজ

রোববারের পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার পাইকারি দাম

কমিউনিটি নিউজ

শনিবারের পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার পাইকারি দাম

কমিউনিটি নিউজ

রাজশাহীতে বেড়েছে মাছের দাম, মুরগির কেজি ২৬০ টাকা

কমিউনিটি নিউজ