28 C
Dhaka
আগস্ট ১৩, ২০২২

বরই চাষে সফলতার মুখ দেখছেন চাষিরা

কৃষি ডেস্ক, কমিউনিটি নিউজ:

সাতক্ষীরায় বাণিজ্যিকভাবে বরই চাষ করে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটছে কুল চাষিদের। কম সময়ে অধিক লাভ হওয়ায় প্রতি বছর বাড়ছে বরই চাষের পরিমাণ। গেল বছর প্রায় ৭ কোটি টাকার বড়ই বিক্রি করেছেন এ অঞ্চলের বরই চাষিরা। যা দেশের অর্থনৈতির উন্নয়নে বড় হাতিয়ার হিসাবে কাজ করছে।

জেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, এই অঞ্চলে কুলের চাষ দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। এখানকার অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে বরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মাটি ও আবহাওয়া বরই চাষে উপযোগী হওয়ায় জেলায় এর চাষ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সাতক্ষীরা জেলার কুল দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি হচ্ছে। বিভিন্ন প্রকার কুলের মধ্যে রয়েছে, বাউকুল, আপেলকুল, নারকেলকুল, বিলাতিকুল, নাইনটি ও মিষ্টিকুল। দেশব্যাপী এই জেলায় উৎপাদিত কুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

তালা উপজেলার জাতপুর গ্রামের কুলচাষি মো. পান্জাব আলী বলেন, গেলো ১০ বছর তিনি বিভিন্ন কুল চাষ করেন। চলতি মৌসুমে ৩ বিঘা জমিতে কুল চাষ করেছেন। জমি নিজের হওয়াতে উৎপাদন খরচ অনেকটা কম। কুল গাছে ভিটামিন স্প্রে, সার ও ঔষধ ব্যবহারে তিন বিঘা জমিতে তার খরচ হয়েছে মাত্র ৫৫ হাজার টাকা। বর্তমানে কুল বিক্রি শুরু করেছেন। তিনি আশা করছেন তিন বিঘা জমির কুল কমপক্ষে ৪ লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি হবে।

পার্শ্ববর্তী উপজেলার কুল চাষি হাবিবুর রহমান জানান, অন্য বছরের তুলনায় এবার কুলের ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে দামও বেশি। এ বছর পাইকারি হারে ৭০-৮০ টাকা দরে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলার সাতটি উপজেলায় ৬২০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতেন কুলের আবাদ হয়েছে। তার মধ্যে সদর উপজেলায় ১৩০ হেক্টর, কলারোয়ায় ২১০ হেক্টর, তালায় ২০৫ হেক্টর,কালিগঞ্জে ২০ হেক্টর,দেবহাটায় ১৫ হেক্টর, আশাশুনিতে ১৫ হেক্টর ও শ্যামনগরে ২৫ হেক্টর। প্রতি বিঘায় ৭০ থেকে ৮০ মণ উৎপাদন হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

স্বল্প খরচে অধিক লাভের কারণে জেলার মমাঠ পর্যায়ের কৃষকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বড়ই চাষ। এ জেলার উৎপাদিত কুল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অরবিন্দ বিশ্বাস গণমাধ্যমকে বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর সাতক্ষীরাতে কুলের অনেক ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছে। ফলে কুল চাষিরা বেশ লাভবান হচ্ছে। সরকারও চাষিদের সবরকম সহযোগিতা করেছে । ফসলটি লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছর কুলের আবাদ বাড়ছে।

এবিআর/কমিউনিটি নিউজ

আরও সংবাদ

বিশ্ববাজারে কমেছে গম ও ভুট্টার দাম

কমিউনিটি নিউজ

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবে যশোরে কাঁচাবাজারে আগুন

কমিউনিটি নিউজ

কলার জমিতে কাটোয়া ডাটা চাষে স্বাবলম্বী নারীরা

কমিউনিটি নিউজ

ডিমের হালি ৪৪, ব্রয়লারের কেজিতে বাড়লো ১০ টাকা

কমিউনিটি নিউজ

৩ বছরের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে ইইউ’র ভুট্টার আমদানি

কমিউনিটি নিউজ

গম ও ভুট্টা উৎপাদনে হাজার কোটি টাকা ঋণ পাবে কৃষক

কমিউনিটি নিউজ