30 C
Dhaka
আগস্ট ১২, ২০২২

রাণীনগরে অভ্যন্তরীণ গম সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক , রাণীনগর(নওগাঁ) : নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় অভ্যন্তরীণ গম সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার(১৯ এপ্রিল২০২১) দুপুরে উপজেলা খাদ্যগুদাম প্রাঙ্গনে  নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সাংসদ আলহাজ্ব মো: আনোয়ার হোসেন হেলাল এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ অভিযানের উদ্বোধন  করেন।

অত্র উপজেলায় চলতি মৌসুমে গম চাষীদের কাছ থেকে ২৮টাকা কেজি দরে ১৯০মেট্টিকটন গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছে। একজন গমচাষী সর্বচ্চ ৩ মেট্টিকটন গম বিক্রয় করতে পারবেন। চলতি মৌসুমে উপজেলা ৮ ইউনিয়নে ৩৫০হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের গম চাষ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতোর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ দুলু, ভাইস চেয়ারম্যান জারজিস হাসান মিঠু, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম সরকার, খাদ্য পরিদর্শক ও খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক উজ জামান, খাদ্য গুদামের হিসাব রক্ষক মুনির হোসেন প্রমুখ।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়লো লকডাউন

কমিউনিটিনিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধি-নিষেধ (লকডাউন) শেষ হতে না হতেই  আবারো  এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার (১৯ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য অধিদপ্তরে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত চলমান বিধি-নিষেধ আগামী ২২ তারিখ থেকে আরও ৭ দিন বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ে সোমবার অথবা মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও জানিয়েছেন।

আরো বলেন,  চলতি মৌসুমে প্রথম দফায় ৫ থেকে ১১ এবং পরে আরও দু’দিন বেড়ে বিধি-নিষেধ ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত চলে। তবে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে আবারও বিধি-নিষেধ জারি করা হয়। এ বিধি-নিষেধ শেষ হবে ২১ এপ্রিল। এরমধ্যে ফের এক সপ্তাহবধি-নিষেধ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল সরকার। সরকার ঘোষিত চলমান ‘লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। এক সপ্তাহ বলতে ২২ তারিখ থেকে আরও ৭ দিন অর্থাৎ ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ‘লকডাউন’ কার্যকর থাকবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিব পর্যায়ের এক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ১২ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনের ১৩ বিধি-নিষেধ আরও এক সপ্তাহের জন্যও কার্যকর থাকবে। তবে এ বিষয়ে এখনো প্রক্ষাপন জারি করা হয়নি।

কঠোর বিধি-নিষেধ বা লকডাউনে ১৩ নির্দেশনা হলো- সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ও সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান সমুদ্র ও স্থলবন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। সব পরিবহন (সড়ক, নৌ, রেলপথ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এই আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

অতিজরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যদি ক্রয়, চিকিৎসাসেবা মরদেহ দাফন বা সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবে বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদান সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবলমাত্র বিক্রয় বা সরবরাহ (online/ Takeway) করা যাবে। শপিংমলসহ অন্য দোকান বন্ধ থাকবে। কাঁচাবাজার এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে। বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষিশ্রমিক পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

শিল্পকারখানা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহ (স্থলবন্দর, নৌবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তাব্যবস্থা, ডাকসেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।

সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন। স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবি নামাজের জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা জারি করবে। নির্দেশনাসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ প্রয়োজনের সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

কমিউনিটিনিউজ/ এমএএইচ

আরও সংবাদ

বিশ্ববাজারে কমেছে গম ও ভুট্টার দাম

কমিউনিটি নিউজ

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবে যশোরে কাঁচাবাজারে আগুন

কমিউনিটি নিউজ

রাজশাহীতে গাঁজাসহ যুবক আটক

কমিউনিটি নিউজ

কলার জমিতে কাটোয়া ডাটা চাষে স্বাবলম্বী নারীরা

কমিউনিটি নিউজ

ডিমের হালি ৪৪, ব্রয়লারের কেজিতে বাড়লো ১০ টাকা

কমিউনিটি নিউজ

৩ বছরের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে ইইউ’র ভুট্টার আমদানি

কমিউনিটি নিউজ