30 C
Dhaka
আগস্ট ২০, ২০২২

রাজশাহীতে ইমামতি নিয়ে তাবলীগ জামায়াতের দু-গ্রুপের হাতাহাতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কমিউনিটি নিউজ: রাজশাহীর মারকাজ মসজিদে তাবলীগ জামায়াতের দুই গ্রুপের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। নামাজের ইমামতিকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটেছে  বলে জানায় মসজিদের স্থানীয় মুসল্লি।

আজ মঙ্গলবার (২৩ মার্চ ২০২১) যোহর নামাজের সময় নগরীর উপশহর সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত মারকাজ মসজিদে এ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।  পরে ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আমলে সূরা ও আলেমে নেজামুদ্দিন নামক দুই দলের অনুসারীরা যোহহের নামাজের জন্য মসজিদে অবস্থান নেয়। সেখানে আলেমে নেজামুদ্দিনের অনুসারী মুফতি মাওলানা নজরুল ইসলাম ২০ বছর ধরে নামাজের ইমামতি করছেন। কিন্তু আমলে সূরার অনুসারীরা মাওলানা জাহিদকে ইমাম করে নামাজ আদায়ের জন্যে বলে। এসময় দুই দলের অনুসারীদের মাঝে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে। আলেমে নেজামুদ্দিনের অনুসারীদের দাবি, আমলে সূরা বা সাদ পন্থীরা এ মসজিদকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এ মসজিদে নিয়োগপ্রাপ্ত ইমাম ও খতিব আছেন। যিনি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ইমামতি করছেন। তার ইমামতিতেই এখানকার স্থানীয়সহ সকলে নামাজ আদায় করে। এতোদিন তারাও এই ইমামের ইমামতিতেই নামাজ আদায় করেছে। কিন্তু তারা মসজিদ ও পার্শবর্তী মাদরাসাকে কেন্দ্র করে অপতৎপরতা চালিয়ে সফল না হয়ে এভাবে হঠাৎ করে মসজিদে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। যা সমীচিন নয়।

আমলে সূরার অনুসারী মো. সাইদুজ্জামান ও আতাউর রহমান জানান, মসজিদে স্থায়ী কোন ইমাম নেয়। এখানে নেজামুদ্দিন পন্থীদের একজন ইমাম ইমামতি করান। কিন্তু বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রায় ২ বছর আগে জেলা প্রশাসক নামাজের ইমামতিসহ তাবলিগের ইবাদতের সময় ভাগ করে দেন। যেখানে তারা ৪ দিন এবং নেজামুদ্দিন পন্থীরা ৩ দিন ইমামতিসহ তাবলিগের ইবাদত করতে পারবে। তারা এ নিয়ম মেনে তাদের নির্ধারিত দিনে আজ যোহরের নামাজের সময় তাদের ইমাম ইমামতির জন্য দাঁড়ান। এ সময় নেজামুদ্দিন পন্থীরা বাঁধা দেয়। যেটা কাম্য নয়।

আলেমে নেজামুদ্দিনের অনুসারী মুফতি নজরুল ইসলাম জানান, তিনি এই মসজিদে ২০ বছর ধরে ইমামতি দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এছাড়া তিনি মারকাজ মাদরাসার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। এর আগে আমলে সূরার অনুসারীরা মাদরাসা বন্ধসহ বিভিন্ন অপতৎপরতায় আইনগতভাবে ঠিকতে না পেরে মসজিদে বিশৃঙ্খলা ঘটিয়েছে। এছাড়া তারা যে সময় ভাগের কথা বলছে এটাও সঠিক নয়। কেননা মসজিদে তাবলিগের ইবাদতের সময় জেলা প্রশাসক ভাগ করে দিয়েছিলেন। ইমামতির না।

এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মণ জানান, মসজিদটিতে ২০ বছর ধরে ইমামতি করেন মুফতি নজরুল ইসলাম। তিনি পার্শবর্তী মাদরাসার অধ্যক্ষ এবং মাওলানা সাদের অনুসারীরা। এতোদিন তার ইমামতিতেই নামাজ আদায় করতেন। কিন্তু তারা তাবলিগের ইবাদতসহ ইমামতির ভাগ দাবি করে। এতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। দুইপক্ষের নিয়ে মিমাংসায় বসা হবে। মসজিদে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

কমিউনিটি/এমএইচ

আরও সংবাদ

দেশে কতদিনের জ্বালানি আছে তা জানালো বিপিসি

কমিউনিটি নিউজ

যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্প চালু হবে ২০২৭ সালে

কমিউনিটি নিউজ

বিশ্ববাজারে কমেছে গম ও ভুট্টার দাম

কমিউনিটি নিউজ

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবে যশোরে কাঁচাবাজারে আগুন

কমিউনিটি নিউজ

রাজশাহীতে গাঁজাসহ যুবক আটক

কমিউনিটি নিউজ

সুইস ব্যাংকের কাছে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য চায়নি বাংলাদেশ: রাষ্ট্রদূত

কমিউনিটি নিউজ