30 C
Dhaka
আগস্ট ২০, ২০২২

আবাসন সংকটে শিক্ষকদের মানবেতর জীবন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আবাসিক সংকট চরমে। শিক্ষকদের দুটি ডরমেটরিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর অভাব, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট, সুপেয় পানির অভাব, সাপ ও নানা কীটপতঙ্গের উপদ্রব এবং স্যাঁতসেঁতে ফ্লোরসহ নানা অপ্রতুলতা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন শিক্ষকরা।

২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ২৫২ জন শিক্ষক রয়েছেন। আর কর্মকর্তা আছেন ৯৩ জন। শিক্ষকদের আবাসনের জন্য স্বল্প পরিসরের দুটি ডরমেটরি থাকলেও শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সেখানে ভাগাভাগি করে থাকতে হয়। পাঁচতলাবিশিষ্ট ডরমেটরিগুলোতে মাত্র ২৮ জন শিক্ষক আবাসন সুবিধা পেয়েছেন। আর কর্মকর্তাদের মধ্যে এই সুবিধা পেয়েছেন ১০ জন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাত্র ১১ শতাংশ শিক্ষক ডরমেটরিতে আবাসন সুবিধা পেয়েছে। তবে একই ডরমেটরিতে দুজন কর্মকর্তা টাইলস করা কক্ষে থাকলেও শিক্ষকদের থাকতে হচ্ছে মোজাইক করা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে ডরমেটরি নিয়ে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ডরমেটরিগুলো সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ভবন দুটির বহিরাংশের রং অনেক স্থানে খসে পড়েছে। পরিচ্ছন্নতার জন্য নির্ধারিত কোনো পরিচ্ছন্নতাকর্মী নেই। ভবনের ভেতর এবং বাইরের অংশ অপরিচ্ছন্ন। অধিকাংশ কক্ষের বৈদ্যুতিক পয়েন্টগুলোতে সমস্যা রয়েছে। নেই সুপেয় পানির ব্যবস্থা। এছাড়া ডরমেটরিগুলো পাহাড়ের ওপর হওয়ায় সাপের উপদ্রবসহ নানা কীটপতঙ্গের উৎপাত লেগেই থাকে।

ডরমেটরিতে অবস্থানরত এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মানুষের আবাসস্থলে ন্যূনতম যেসকল সুযোগ-সুবিধা থাকার প্রয়োজন তার কোনোটি এখানে নেই। পাহাড়সম সংকট নিয়েই ডরমেটরিগুলোতে আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি। ক্ষমতার প্রভাবে কর্মকর্তা টাইলস করা রুমে থাকেন। আর আমরা শিক্ষক হয়েও মোজাইক করা রুমে থাকতে হচ্ছে। এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য লজ্জার। অপর এক শিক্ষক বলেন, বাহির থেকে কেউ আসলে নিজের রুমে আনতেও লজ্জা লাগে। একজন মেহমান নিয়ে আসারও পরিবেশ নেই এখানে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. শামিমুল ইসলাম বলেন,শিক্ষকরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং ভবনগুলো জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে এটা সত্য। এই সমস্যাটির বিষয়ে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। প্রশাসনকে জানানোর পর তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে।

শিক্ষকদের এমন কষ্ট করে জীবন-যাপনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি।’

আরও সংবাদ

রাজশাহী কলেজে চালু হলো মেধাবৃত্তি

কমিউনিটি নিউজ

অবশেষে অনশন ভেঙেছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

কমিউনিটি নিউজ

ফের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা

কমিউনিটি নিউজ

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে আরসিআরইউ’র মানববন্ধন

কমিউনিটি নিউজ

নানা আয়োজনে রাজশাহী কলেজে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত

কমিউনিটি নিউজ

কাঁচকি মাছের চানাচুর তৈরি করলো বাকৃবি

কমিউনিটি নিউজ